ঢাবিতে তারেক রহমানের ভর্তি নিয়ে ৮০’র দশকের স্মৃতিচারণ
আশির দশকের উত্তাল রাজনৈতিক সময় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থির ক্যাম্পাস জীবনের এক ব্যতিক্রমী স্মৃতিচারণ সামনে এনেছেন নোয়াখালীর হাতিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. শাহ ওয়ালী উল্লাহ। তিনি দাবি করেন, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম চলাকালে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। ওই সময় কলাভবনের নিচে ডিন অফিসের সামনে কিছু কাগজপত্র পড়ে থাকতে দেখেন তিনি, যেখানে এসএসসি ও এইচএসসির মূল মার্কশিটসহ ভর্তি সংক্রান্ত নথিপত্র ছিল।আরও পড়ুন, ২০২৭ সালের এসএসসি ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি শুরু ৬ জুনতার ভাষ্য অনুযায়ী, কাগজপত্রে নাম লেখা ছিল তারেক রহমান এবং পিতার নাম হিসেবে উল্লেখ ছিল জিয়াউর রহমান। পরে তিনি কাগজগুলো এক উদ্বিগ্ন তরুণের হাতে তুলে দেন বলে দাবি করেন। শাহ ওয়ালী উল্লাহ বলেন, কিছুক্ষণ পর এক তরুণকে ফাইল খুঁজতে দেখা যায় এবং পরে তাকে সেটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি জানান, ওই তরুণের চেহারায় জিয়াউর রহমানের সঙ্গে মিল থাকায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত হন বলে মনে করেন।আরও পড়ুন, বাইকার-অটোরিকশাচালকদের জন্য দুঃসংবাদ ভ্যাট বাড়ানোর পরিকল্পনাতিনি আরও বলেন, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দু। এরশাদবিরোধী আন্দোলন, মিছিল-মিটিং, সংঘর্ষসহ নানা ঘটনায় ক্যাম্পাস উত্তপ্ত ছিল। এমন পরিবেশে ছাত্ররাজনীতির নানা ঘটনারও তিনি সাক্ষী ছিলেন বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি স্মরণ করেন, একসময় জিয়া হলের সামনে একটি রাজনৈতিক সমাবেশ চলাকালে সংঘর্ষে একজন ছাত্রনেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে, যা ক্যাম্পাসে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়।আরও পড়ুন, দেশে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ছাড়াল, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ইসিরশাহ ওয়ালী উল্লাহ আরও দাবি করেন, সম্প্রতি এক আলোচনায় তারেক রহমানের শিক্ষাজীবন নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি নিজের দেখা ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তার ভাষায়, “তারেক রহমান অনার্স শেষ করেছেন কিনা আমার জানা নেই, তবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন—এটি আমি নিজের চোখে দেখা ঘটনার ভিত্তিতেই বলছি।” এদিকে এই স্মৃতিচারণকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের এক সদস্য বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, এটি নিয়ে সে সময়কার সহপাঠীরাই ভালো বলতে পারবেন।