জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হওয়ার জাতিসংঘের তথ্যকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ ও ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সংখ্যা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে তার আইনি দল।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, গত ২৮ মে লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের আইনজীবী স্টিভেন পাউলেস কেসি শেখ হাসিনার পক্ষে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে এই চিঠি পাঠান।আরও পড়ুন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে মাজারে তারেক রহমানের শ্রদ্ধাচিঠিতে বলা হয়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ১ হাজার ৪০০ বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার যে তথ্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কার্যালয় প্রকাশ করেছে, তা বাংলাদেশের সরকারি তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শেখ হাসিনার আইনি দল দাবি করেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী নিহত বা ‘শহীদ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ৮৩৪ জন, যা জাতিসংঘের দাবিকৃত সংখ্যার প্রায় অর্ধেক।আরও পড়ুন, ৪১৯ হাজি নিয়ে দেশে পৌঁছাল হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটএছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হিসাবেও নিহতের সংখ্যা ৬৫০ জন উল্লেখ করা হয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়। শেখ হাসিনার আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, অতিরঞ্জিত এই সংখ্যা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং তার সরকারকে সহিংসভাবে উৎখাতের ঘটনাকে বৈধতা দিতেই এটি প্রচার করা হয়েছে।আরও পড়ুন, হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ, সৌদি থেকে ফিরতে শুরু করেছেন হাজিরাউল্লেখ্য, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়ের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মাত্র ৪৬ দিনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বড় অংশ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা যান। শেখ হাসিনার আইনি দল তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবং ওএইচসিএইচআরের কাছে জনসমক্ষে তথ্য সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি জাতিসংঘ।