গাইবান্ধায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার ও মোবাইলের মাধ্যমে নকলের অভিযোগে ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একাধিক ব্লুটুথ ডিভাইস ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। গত ৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এ নিয়োগ পরীক্ষায় জেলার তিনটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লক্ষণ চন্দ্র কুমার দাস। তিনি জানান, জেলায় চার শতাধিক শূন্য পদের বিপরীতে অনলাইনের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৬৬৬ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ২২ হাজার ৬৭ জন পরীক্ষার্থী। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলার তিন উপজেলায় ৪৩টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন, বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা ও বর্ধিত সভা
পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৪৯ জন পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্রের বাইরে সন্দেহজনক অবস্থায় আরও তিনজনসহ মোট ৫২ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭ জন নারী। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরও জানান, গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৩৭ জন, পলাশবাড়ীতে ১২ জন এবং ফুলছড়ি উপজেলায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রবেশপথে তল্লাশি, হলরুমে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস আদান-প্রদান এবং কানের ভেতরে গোপনে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে এসব আটক করা হয়। অনেকের কানেই ডিভাইস পাওয়া গেছে। আটকরা বর্তমানে থানায় হেফাজতে রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি কোনো সংঘবদ্ধ চক্র এর সঙ্গে জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার ও মোবাইলের মাধ্যমে নকলের অভিযোগে ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একাধিক ব্লুটুথ ডিভাইস ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। গত ৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এ নিয়োগ পরীক্ষায় জেলার তিনটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লক্ষণ চন্দ্র কুমার দাস। তিনি জানান, জেলায় চার শতাধিক শূন্য পদের বিপরীতে অনলাইনের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৬৬৬ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ২২ হাজার ৬৭ জন পরীক্ষার্থী। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেলার তিন উপজেলায় ৪৩টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন, বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা ও বর্ধিত সভা
পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৪৯ জন পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্রের বাইরে সন্দেহজনক অবস্থায় আরও তিনজনসহ মোট ৫২ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭ জন নারী। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরও জানান, গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৩৭ জন, পলাশবাড়ীতে ১২ জন এবং ফুলছড়ি উপজেলায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রবেশপথে তল্লাশি, হলরুমে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস আদান-প্রদান এবং কানের ভেতরে গোপনে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে এসব আটক করা হয়। অনেকের কানেই ডিভাইস পাওয়া গেছে। আটকরা বর্তমানে থানায় হেফাজতে রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি কোনো সংঘবদ্ধ চক্র এর সঙ্গে জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন