ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ওয়াদুদ বিশ্বাস (৫৫) নামে এক হোটেল ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে শহরের নতুন বাজার এলাকার একটি চৌচালা ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওয়াদুদ বিশ্বাস কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়া গ্রামের নদীপাড়া এলাকার মতিয়ার বিশ্বাসের ছেলে। তিনি নতুন বাজার এলাকায় ভাতের হোটেল পরিচালনা করতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে নতুন বাজার এলাকার ছাগলহাটার একটি চারদিক খোলা ঘরে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন।
আরও পড়ুন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছাত্রদলের নানা আয়োজন
পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, খবর পেয়ে সকাল ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ওসি আরও জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনই নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ওয়াদুদ বিশ্বাস (৫৫) নামে এক হোটেল ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে শহরের নতুন বাজার এলাকার একটি চৌচালা ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওয়াদুদ বিশ্বাস কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়া গ্রামের নদীপাড়া এলাকার মতিয়ার বিশ্বাসের ছেলে। তিনি নতুন বাজার এলাকায় ভাতের হোটেল পরিচালনা করতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে নতুন বাজার এলাকার ছাগলহাটার একটি চারদিক খোলা ঘরে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন।
আরও পড়ুন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছাত্রদলের নানা আয়োজন
পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, খবর পেয়ে সকাল ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ওসি আরও জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনই নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।
