বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এম তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। এর আগে চার দিনের পুলিশ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে কিছু প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন বলেও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন দীপকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ জানিয়েছেন, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি তাহসিফকে বাসা থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। পরে তাহসিফ, দীপ ও মামলার আরেক সন্দেহভাজন জেরিকা তাসনিম দিশা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন।
আরও পড়ুন,হত্যার রহস্য উন্মোচনে ফের পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে দীপ
একপর্যায়ে দিশা বাসায় ফিরে যান। দীপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তাহসিফ ও তিনি টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যান। পরে তুরাগ নদীর তীরবর্তী একটি মাঠে পৌঁছালে কয়েকজন লোককে দেখে তারা আলাদা হয়ে যান বলে দাবি করেছেন দীপ। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে তাহসিফ ও তার বান্ধবী উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর দীপও সেখানে যান। প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর তিনজনকে একসঙ্গে বের হতে দেখা যায়। দ্বিতীয় দফা রিমান্ড আবেদনে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড যাচাই, হত্যার উদ্দেশ্য ও ঘটনাস্থল শনাক্ত এবং অন্য সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করার কথা উল্লেখ করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম ৩১ অক্টোবর উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত করছে নৌ-পুলিশ। তবে দীপ বা অন্য কারও বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
বিষয় : কল বিশ্লেষণে তদন্তকারীরা

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এম তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। এর আগে চার দিনের পুলিশ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে কিছু প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন বলেও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন দীপকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ জানিয়েছেন, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি তাহসিফকে বাসা থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। পরে তাহসিফ, দীপ ও মামলার আরেক সন্দেহভাজন জেরিকা তাসনিম দিশা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন।
আরও পড়ুন,হত্যার রহস্য উন্মোচনে ফের পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে দীপ
একপর্যায়ে দিশা বাসায় ফিরে যান। দীপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তাহসিফ ও তিনি টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যান। পরে তুরাগ নদীর তীরবর্তী একটি মাঠে পৌঁছালে কয়েকজন লোককে দেখে তারা আলাদা হয়ে যান বলে দাবি করেছেন দীপ। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে তাহসিফ ও তার বান্ধবী উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর দীপও সেখানে যান। প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর তিনজনকে একসঙ্গে বের হতে দেখা যায়। দ্বিতীয় দফা রিমান্ড আবেদনে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড যাচাই, হত্যার উদ্দেশ্য ও ঘটনাস্থল শনাক্ত এবং অন্য সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করার কথা উল্লেখ করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম ৩১ অক্টোবর উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত করছে নৌ-পুলিশ। তবে দীপ বা অন্য কারও বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
