২০০৯ সালের পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্র ও ঘাতকদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। শনিবার ৩১ অক্টোবর দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর বনানী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিরোধী বিভিন্ন তৎপরতায় যুক্ত থাকার প্রাথমিক তথ্য রয়েছে। বিশেষ করে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে সক্রিয় ষড়যন্ত্র এবং হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত চক্রের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও ভূমিকা নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন,ডিএমপি নিউজে আপত্তিকর বার্তা নিয়ে প্রশ্ন
অভিযানের পর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ডিবি সূত্র জানিয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজের গ্রেপ্তারকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ষড়যন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকার বিষয়টি।
বিষয় : ডিবি জিজ্ঞাসাবাদ

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
২০০৯ সালের পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ষড়যন্ত্র ও ঘাতকদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। শনিবার ৩১ অক্টোবর দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর বনানী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিরোধী বিভিন্ন তৎপরতায় যুক্ত থাকার প্রাথমিক তথ্য রয়েছে। বিশেষ করে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে সক্রিয় ষড়যন্ত্র এবং হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত চক্রের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও ভূমিকা নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন,ডিএমপি নিউজে আপত্তিকর বার্তা নিয়ে প্রশ্ন
অভিযানের পর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ডিবি সূত্র জানিয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজের গ্রেপ্তারকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ষড়যন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকার বিষয়টি।

আপনার মতামত লিখুন