চোর-ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ৫৯ দিনে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১ হাজার ৫৯ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে চলমান অভিযানে ১৯৬ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। অপরাধ দমন, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৫৯ দিনে কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে চোর ও ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবনকারী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং নিয়মিত মামলার আসামি রয়েছেন। কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ১ হাজার ৫৯ জন আসামির মধ্যে রয়েছেন চোর ও ছিনতাইকারী: ৩৬০ জন মাদক ব্যবসায়ী: ৮৬ জন মাদক সেবনকারী: ৩৪০ জন পেনাল কোডের ২৯০ ধারায় গ্রেপ্তার: ৫২ জন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল: ১৮৪ জন নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার: ৩৭ জন পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব অভিযানে বিভিন্ন শ্রেণির অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ করে চোর-ছিনতাইকারী ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারেও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের চলমান অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধেও বিশেষ নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ৫৯ দিনে ১৯৬ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনের আগেই তা প্রতিরোধে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। কক্সবাজার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেকোনো মূল্যে অপরাধীদের দমন এবং তারা যাতে কোনোভাবেই অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে।
আরও পড়ুন,বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় ৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে লালমনিরহাটে
তিনি বলেন, “অপরাধীরা কোনো অপরাধ করলে তাদের সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আমরা সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করছি। অপরাধীরা যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন, আমরা তাদের ছাড় দিচ্ছি না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে আমরা সক্ষম হচ্ছি।” ওসি আরও জানান, কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অপরাধীদের শনাক্তকরণ, গ্রেপ্তার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। এ সময় অপরাধ দমনে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী। কক্সবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটননগরী হওয়ায় এখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটে। এ অবস্থায় শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। চুরি, ছিনতাই, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এ ধরনের অভিযান জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে অভিযান শুধু সাময়িক কার্যক্রম নয়; বরং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। অপরাধে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। পুলিশের এ তৎপরতায় কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
চোর-ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ৫৯ দিনে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১ হাজার ৫৯ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে চলমান অভিযানে ১৯৬ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। অপরাধ দমন, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৫৯ দিনে কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে চোর ও ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবনকারী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং নিয়মিত মামলার আসামি রয়েছেন। কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ১ হাজার ৫৯ জন আসামির মধ্যে রয়েছেন চোর ও ছিনতাইকারী: ৩৬০ জন মাদক ব্যবসায়ী: ৮৬ জন মাদক সেবনকারী: ৩৪০ জন পেনাল কোডের ২৯০ ধারায় গ্রেপ্তার: ৫২ জন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল: ১৮৪ জন নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার: ৩৭ জন পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব অভিযানে বিভিন্ন শ্রেণির অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ করে চোর-ছিনতাইকারী ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারেও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের চলমান অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধেও বিশেষ নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ৫৯ দিনে ১৯৬ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনের আগেই তা প্রতিরোধে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। কক্সবাজার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেকোনো মূল্যে অপরাধীদের দমন এবং তারা যাতে কোনোভাবেই অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে।
আরও পড়ুন,বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় ৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে লালমনিরহাটে
তিনি বলেন, “অপরাধীরা কোনো অপরাধ করলে তাদের সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আমরা সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করছি। অপরাধীরা যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন, আমরা তাদের ছাড় দিচ্ছি না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে আমরা সক্ষম হচ্ছি।” ওসি আরও জানান, কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অপরাধীদের শনাক্তকরণ, গ্রেপ্তার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। এ সময় অপরাধ দমনে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী। কক্সবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটননগরী হওয়ায় এখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটে। এ অবস্থায় শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। চুরি, ছিনতাই, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এ ধরনের অভিযান জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে অভিযান শুধু সাময়িক কার্যক্রম নয়; বরং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। অপরাধে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। পুলিশের এ তৎপরতায় কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন