শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের বানিয়াটারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তাদের নৈতিকতা,
আরও পড়ুন,সোনারগাঁয়ে একরামপুর নবজাগরণ যুব সংঘের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা
শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ হলে বন্যার সময় এলাকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিরাপদ আশ্রয় পাবেন। পাশাপাশি গবাদিপশুর জন্যও আশ্রয়ের ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান ও সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকার উপস্থিত ছিলেন। ‘অভিযোজন বৃদ্ধি ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে টেকসই অবকাঠামো প্রকল্প’ (রিভার প্রজেক্ট)-এর আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৭ কোটি ৫৯ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ টাকা ব্যয়ে চারতলা ভবনটি নির্মাণ করা হবে।
বিষয় : মোকাবিলা বন্যা লালমনিরহাট

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের বানিয়াটারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তাদের নৈতিকতা,
আরও পড়ুন,সোনারগাঁয়ে একরামপুর নবজাগরণ যুব সংঘের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা
শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ হলে বন্যার সময় এলাকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিরাপদ আশ্রয় পাবেন। পাশাপাশি গবাদিপশুর জন্যও আশ্রয়ের ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান ও সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকার উপস্থিত ছিলেন। ‘অভিযোজন বৃদ্ধি ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে টেকসই অবকাঠামো প্রকল্প’ (রিভার প্রজেক্ট)-এর আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৭ কোটি ৫৯ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ টাকা ব্যয়ে চারতলা ভবনটি নির্মাণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন