স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সর্বপ্রথম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৯ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালগুলোকে ৩১ ও ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন।
আরও পড়ুন,সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে গাবুরায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন
তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ১৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোতে ১০টি ডায়ালাইসিস বেড, প্রসূতি নারীদের জন্য ২০ শয্যার একটি ওয়ার্ড এবং শিশুদের জন্য ২০টি বেড রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া নারী ও পুরুষদের জন্য ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টারও থাকবে।
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ আগের তুলনায় ভালো মনে হয়েছে। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি রয়েছে, যেগুলো সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।
বিষয় : পরিকল্পনা ভোগান্তি স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সর্বপ্রথম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৯ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালগুলোকে ৩১ ও ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন।
আরও পড়ুন,সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে গাবুরায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন
তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ১৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোতে ১০টি ডায়ালাইসিস বেড, প্রসূতি নারীদের জন্য ২০ শয্যার একটি ওয়ার্ড এবং শিশুদের জন্য ২০টি বেড রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া নারী ও পুরুষদের জন্য ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টারও থাকবে।
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ আগের তুলনায় ভালো মনে হয়েছে। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি রয়েছে, যেগুলো সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন