বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের দ্বাদশ শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা এবং মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান। বিবৃতিতে তিনি অধ্যাপক গোলাম আযমকে উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ও মজলুম দাঈ হিসেবে অভিহিত করেন।
ডা: শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, অধ্যাপক গোলাম আযম ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস হিসেবে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন।
আরোও পড়ুন,সাত ইসলামি দলের জোট আলোচনা
এছাড়া বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৯৮৩ সালে তিনি যে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফর্মুলা’ পেশ করেছিলেন, তা পরবর্তী সময়ে দেশের সংবিধানে যুক্ত হয় এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পায়। ১৯৫৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়ে তিনি দীর্ঘ সময় পূর্ব পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশে দলটিকে নেতৃত্ব দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ৯২ বছরের জীবনে রাজনৈতিক ও আদর্শিক কারণে তিনি পাঁচবার কারাভোগের মধ্য দিয়ে নানা জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। সর্বশেষ ২০১২ সালে গ্রেফতার হয়ে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে তাঁর অবদান এবং আপসহীন রাজনৈতিক জীবন অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন বর্তমান জামায়াত প্রধান।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের দ্বাদশ শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা এবং মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান। বিবৃতিতে তিনি অধ্যাপক গোলাম আযমকে উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ও মজলুম দাঈ হিসেবে অভিহিত করেন।
ডা: শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, অধ্যাপক গোলাম আযম ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস হিসেবে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন।
আরোও পড়ুন,সাত ইসলামি দলের জোট আলোচনা
এছাড়া বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৯৮৩ সালে তিনি যে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফর্মুলা’ পেশ করেছিলেন, তা পরবর্তী সময়ে দেশের সংবিধানে যুক্ত হয় এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পায়। ১৯৫৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়ে তিনি দীর্ঘ সময় পূর্ব পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশে দলটিকে নেতৃত্ব দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ৯২ বছরের জীবনে রাজনৈতিক ও আদর্শিক কারণে তিনি পাঁচবার কারাভোগের মধ্য দিয়ে নানা জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। সর্বশেষ ২০১২ সালে গ্রেফতার হয়ে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে তাঁর অবদান এবং আপসহীন রাজনৈতিক জীবন অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন বর্তমান জামায়াত প্রধান।

আপনার মতামত লিখুন