বাংলাদেশের সাড়ে পাঁচ দশকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক মণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই ঐতিহাসিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী দুর্গোৎসবের সময় ঢাকার গণ্ডি পেরিয়ে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের মতো তিনটি আলাদা অঞ্চলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান, যা অসাম্প্রদায়িক চেতনার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার হোটেল মম-ইনের অডিটরিয়ামে 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' আয়োজিত ‘উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও 'বাংলাদেশ প্রতিদিন'-এর সম্পাদক লোটন একরামের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে বলেন,
আরোও পড়ুন,কালকিনিতে ভাড়ায় মারা-মারি করতে এসে হত্যা মামলার আসামি নিহত আহত-৫ জন
বিগত দিনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে নিজেদের একক সম্পদ মনে করত। তবে বর্তমানে সেই পুরাতন অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখে ভোট দিয়েছেন। এই অর্জিত আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবেই এবার সারা দেশে প্রায় ১,২০০টি অতিরিক্ত পূজামণ্ডপে অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দের সাথে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের মোট ৩৩,৮৫১টি মণ্ডপে এই উৎসব পালিত হয়। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের দেওয়া এই ভালোবাসা, আস্থা ও বিশ্বাসের যথাযথ মর্যাদা দিতে সক্ষম হয়েছে। উৎসবের দিনগুলোতে প্রশাসন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা হাত মিলিয়ে একযোগে প্রতিটি পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়েছেন। এই সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল উদ্যোগের ফলেই সমগ্র দেশে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপত্তাবেষ্টিত পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশের সাড়ে পাঁচ দশকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক মণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই ঐতিহাসিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী দুর্গোৎসবের সময় ঢাকার গণ্ডি পেরিয়ে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের মতো তিনটি আলাদা অঞ্চলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান, যা অসাম্প্রদায়িক চেতনার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার হোটেল মম-ইনের অডিটরিয়ামে 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' আয়োজিত ‘উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও 'বাংলাদেশ প্রতিদিন'-এর সম্পাদক লোটন একরামের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে বলেন,
আরোও পড়ুন,কালকিনিতে ভাড়ায় মারা-মারি করতে এসে হত্যা মামলার আসামি নিহত আহত-৫ জন
বিগত দিনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে নিজেদের একক সম্পদ মনে করত। তবে বর্তমানে সেই পুরাতন অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখে ভোট দিয়েছেন। এই অর্জিত আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবেই এবার সারা দেশে প্রায় ১,২০০টি অতিরিক্ত পূজামণ্ডপে অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দের সাথে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের মোট ৩৩,৮৫১টি মণ্ডপে এই উৎসব পালিত হয়। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের দেওয়া এই ভালোবাসা, আস্থা ও বিশ্বাসের যথাযথ মর্যাদা দিতে সক্ষম হয়েছে। উৎসবের দিনগুলোতে প্রশাসন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা হাত মিলিয়ে একযোগে প্রতিটি পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়েছেন। এই সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল উদ্যোগের ফলেই সমগ্র দেশে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপত্তাবেষ্টিত পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন