মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক ও প্রবাসীদের কষ্টার্জিত আয় বৈধ উপায়ে দেশে পাঠানো সহজ করতে দেশটিতে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা খোলার পাশাপাশি বিকল্প মুদ্রা নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে দেশটিতে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত থাকলেও সরাসরি স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া গ্রহণে জটিলতার কারণে অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে ডলার কিনে অতিরিক্ত খরচে অর্থ পাঠাতে বাধ্য হন তারা। এতে বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় সার্বিক ব্যাংকিং সেবার পরিধি বাড়াতে মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটির (এমএমএ) গভর্নর আহমেদ মুনাওয়ারের কাছে যৌথ সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান।
আরোও পড়ুন,রাজস্ব বৃদ্ধি ও সুশাসনের ওপর বিশেষজ্ঞদের জোরালো তাগিদ
ব্র্যাক ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ইতোমধ্যেই এই উদ্যোগের বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
উদ্যোগটির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক তিনটি উদ্ভাবনী প্রস্তাব দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) আওতায় স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া ব্যবহার, ট্রাভেল সম্পর্কিত কেনাকাটা সহজীকরণে কার্ডভিত্তিক নিষ্পত্তি এবং বাংলাদেশ-মালদ্বীপের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় কারেন্সি সোয়াপ চালুর সুযোগ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মালদ্বীপ থেকে প্রবাসী আয় ১৬.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলারে নেমে আসায় এই পদক্ষেপে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে নিয়ন্ত্রক শর্তাবলী ও কারিগরি দিক নিয়ে যৌথ আলোচনার মাধ্যমে এই নতুন অবকাঠামো ও ব্যাংকিং সুবিধা দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিষয় : ব্যাংক মালদ্বীপ কেন্দ্রীয়

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক ও প্রবাসীদের কষ্টার্জিত আয় বৈধ উপায়ে দেশে পাঠানো সহজ করতে দেশটিতে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা খোলার পাশাপাশি বিকল্প মুদ্রা নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে দেশটিতে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত থাকলেও সরাসরি স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া গ্রহণে জটিলতার কারণে অনানুষ্ঠানিক খাত থেকে ডলার কিনে অতিরিক্ত খরচে অর্থ পাঠাতে বাধ্য হন তারা। এতে বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় সার্বিক ব্যাংকিং সেবার পরিধি বাড়াতে মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটির (এমএমএ) গভর্নর আহমেদ মুনাওয়ারের কাছে যৌথ সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান।
আরোও পড়ুন,রাজস্ব বৃদ্ধি ও সুশাসনের ওপর বিশেষজ্ঞদের জোরালো তাগিদ
ব্র্যাক ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ইতোমধ্যেই এই উদ্যোগের বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
উদ্যোগটির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক তিনটি উদ্ভাবনী প্রস্তাব দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) আওতায় স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া ব্যবহার, ট্রাভেল সম্পর্কিত কেনাকাটা সহজীকরণে কার্ডভিত্তিক নিষ্পত্তি এবং বাংলাদেশ-মালদ্বীপের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় কারেন্সি সোয়াপ চালুর সুযোগ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মালদ্বীপ থেকে প্রবাসী আয় ১৬.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলারে নেমে আসায় এই পদক্ষেপে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে নিয়ন্ত্রক শর্তাবলী ও কারিগরি দিক নিয়ে যৌথ আলোচনার মাধ্যমে এই নতুন অবকাঠামো ও ব্যাংকিং সুবিধা দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন