মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন আরও কমে নতুন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজের নতুন এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৩ শতাংশ মার্কিনি ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ, অর্থনীতি পরিচালনা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ জরিপে অংশগ্রহণকারী। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহের কিছু বেশি সময় বাকি থাকতে জরিপের এই ফল প্রকাশিত হলো। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের অবস্থান যখন চাপে, তখন দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালাতে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে সফর করছেন ট্রাম্প। জরিপ অনুযায়ী, ৬৬ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, প্রেসিডেন্টের পদ ব্যবহার করে নিজের সম্পদ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে রিপাবলিকানদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া রিপাবলিকানদের ৩৪ শতাংশ মনে করেন, ট্রাম্প নিজের আর্থিক স্বার্থে প্রেসিডেন্টের পদ ব্যবহার করছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই হার বেড়েছে ১২ শতাংশ পয়েন্ট। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও অসন্তোষ বাড়ছে মার্কিনিদের মধ্যে।
আরও পড়ুন,জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যে ম্যাক্রোঁ
জরিপে অংশ নেওয়া ৪৮ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাদের আর্থিক অবস্থা আগের তুলনায় খারাপ হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৬ সাল থেকে পরিচালিত এ ধারার জরিপে কোনো প্রেসিডেন্টের আমলে ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থার অবনতির কথা বলা মানুষের হার এটিই সর্বোচ্চ। এদিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আস্থা কমেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৭ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। হোয়াইট হাউসে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর প্রবেশ নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরোধের মধ্যে এ মনোভাব সামনে এসেছে। পরে এক ফেডারেল বিচারক প্রশাসনের ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ওপর প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। অন্যদিকে, ৬১ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। বিশ্লেষকদের জন্য জরিপের এই ফল গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে। জীবনযাত্রার ব্যয়, ব্যক্তিগত আর্থিক নিরাপত্তা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে অসন্তোষ মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে জনমত জরিপের ফলই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করে না। ভোটার উপস্থিতি, প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা এবং নির্বাচনী এলাকার পরিস্থিতিও ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন আরও কমে নতুন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজের নতুন এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৩ শতাংশ মার্কিনি ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ, অর্থনীতি পরিচালনা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ জরিপে অংশগ্রহণকারী। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহের কিছু বেশি সময় বাকি থাকতে জরিপের এই ফল প্রকাশিত হলো। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের অবস্থান যখন চাপে, তখন দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালাতে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে সফর করছেন ট্রাম্প। জরিপ অনুযায়ী, ৬৬ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, প্রেসিডেন্টের পদ ব্যবহার করে নিজের সম্পদ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে রিপাবলিকানদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া রিপাবলিকানদের ৩৪ শতাংশ মনে করেন, ট্রাম্প নিজের আর্থিক স্বার্থে প্রেসিডেন্টের পদ ব্যবহার করছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই হার বেড়েছে ১২ শতাংশ পয়েন্ট। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও অসন্তোষ বাড়ছে মার্কিনিদের মধ্যে।
আরও পড়ুন,জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যে ম্যাক্রোঁ
জরিপে অংশ নেওয়া ৪৮ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাদের আর্থিক অবস্থা আগের তুলনায় খারাপ হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৬ সাল থেকে পরিচালিত এ ধারার জরিপে কোনো প্রেসিডেন্টের আমলে ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থার অবনতির কথা বলা মানুষের হার এটিই সর্বোচ্চ। এদিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আস্থা কমেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৭ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। হোয়াইট হাউসে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর প্রবেশ নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরোধের মধ্যে এ মনোভাব সামনে এসেছে। পরে এক ফেডারেল বিচারক প্রশাসনের ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ওপর প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। অন্যদিকে, ৬১ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। বিশ্লেষকদের জন্য জরিপের এই ফল গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে। জীবনযাত্রার ব্যয়, ব্যক্তিগত আর্থিক নিরাপত্তা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে অসন্তোষ মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে জনমত জরিপের ফলই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করে না। ভোটার উপস্থিতি, প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা এবং নির্বাচনী এলাকার পরিস্থিতিও ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন