কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে নৌ মাইনের আঘাতে দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাঙ্কারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের নৌবাহিনী বা আইআরজিসি। শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। আইআরজিসির দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটিতে ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। জাহাজটি একটি ‘অননুমোদিত’ পথ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করার সময় নিজেদের অবস্থান শনাক্তকরণ ও রাডার ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছিল বলে অভিযোগ করেছে ইরানি বাহিনী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নৌ মাইনের আঘাতে ট্যাঙ্কারটির ইঞ্জিন কক্ষে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে জাহাজটি চলাচলের ক্ষমতা হারিয়ে অচল হয়ে পড়ে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটির নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি আইআরজিসি। জাহাজে থাকা নাবিকদের অবস্থা, হতাহতের সংখ্যা এবং সম্ভাব্য পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কেও কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন,ইয়েমেন সীমান্তের কাছে সৌদি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় দুই কর্মকর্তা নিহত
এর আগে একই প্রণালীতে আরেকটি সুপারট্যাঙ্কার নৌ মাইনের কবলে পড়েছে বলে দাবি করেছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। দ্বিতীয় ট্যাঙ্কারে অগ্নিকাণ্ডের এই খবর নতুন করে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালীর বিভিন্ন অংশে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। দেশটি জাহাজগুলোকে তেহরানের অনুমোদিত পথ অনুসরণ করার ওপর জোর দিচ্ছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে অবাধে চলাচলের অধিকারের কথা তুলে ধরে ইরানের বিধিনিষেধ প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হয়। ফলে সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে দ্বিতীয় ট্যাঙ্কারে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে আইআরজিসির দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
বিষয় : অগ্নিকাণ্ড হরমুজ সুপারট্যাঙ্কার

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে নৌ মাইনের আঘাতে দ্বিতীয় একটি সুপারট্যাঙ্কারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের নৌবাহিনী বা আইআরজিসি। শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। আইআরজিসির দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটিতে ২০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। জাহাজটি একটি ‘অননুমোদিত’ পথ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করার সময় নিজেদের অবস্থান শনাক্তকরণ ও রাডার ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছিল বলে অভিযোগ করেছে ইরানি বাহিনী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নৌ মাইনের আঘাতে ট্যাঙ্কারটির ইঞ্জিন কক্ষে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে জাহাজটি চলাচলের ক্ষমতা হারিয়ে অচল হয়ে পড়ে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটির নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি আইআরজিসি। জাহাজে থাকা নাবিকদের অবস্থা, হতাহতের সংখ্যা এবং সম্ভাব্য পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কেও কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন,ইয়েমেন সীমান্তের কাছে সৌদি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় দুই কর্মকর্তা নিহত
এর আগে একই প্রণালীতে আরেকটি সুপারট্যাঙ্কার নৌ মাইনের কবলে পড়েছে বলে দাবি করেছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। দ্বিতীয় ট্যাঙ্কারে অগ্নিকাণ্ডের এই খবর নতুন করে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালীর বিভিন্ন অংশে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। দেশটি জাহাজগুলোকে তেহরানের অনুমোদিত পথ অনুসরণ করার ওপর জোর দিচ্ছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে অবাধে চলাচলের অধিকারের কথা তুলে ধরে ইরানের বিধিনিষেধ প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হয়। ফলে সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে দ্বিতীয় ট্যাঙ্কারে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে আইআরজিসির দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন