গাজায় মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে সব প্রবেশপথ পুরোপুরি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। একই সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন কার্যক্রম বন্ধ এবং অবৈধ বসতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন ওয়াং ই। এশিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধিবিষয়ক সম্মেলন সিআইসিএর সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই বলেন, গত তিন দশকে চীন ও ইসরায়েলের মধ্যে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রয়েছে। এ সময়ে দুই দেশের বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতায়ও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তিনি জানান,
আরও পড়ুন,এসআইআরবিরোধী বিক্ষোভে সক্রিয় হচ্ছে টিভিকে
আগামী বছর চীন ও ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৩৫তম বার্ষিকী। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কের প্রতি সমর্থন জোরদারে এই বার্ষিকীকে কাজে লাগাতে আগ্রহী বেইজিং। ফিলিস্তিন সংকট প্রসঙ্গে ওয়াং ই বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক অবিচার। তাঁর মতে, এ সংকটের স্থায়ী সমাধানের সঠিক পথ হলো দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান। অর্থাৎ, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল দুই রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, সব পক্ষকে সংলাপ ও আলোচনায় ফিরিয়ে আনতে এবং সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন। ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি—উভয় জনগোষ্ঠীরই শান্তিতে বসবাস এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। জবাবে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বলেন, তাঁর দেশ দৃঢ়ভাবে এক-চীন নীতি মেনে চলে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়িয়ে চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী ইসরায়েল। হারজোগ আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ইসরায়েল বিভিন্ন হুমকি ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, যার জবাবে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চীনের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
গাজায় মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে সব প্রবেশপথ পুরোপুরি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। একই সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন কার্যক্রম বন্ধ এবং অবৈধ বসতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন ওয়াং ই। এশিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধিবিষয়ক সম্মেলন সিআইসিএর সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই বলেন, গত তিন দশকে চীন ও ইসরায়েলের মধ্যে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রয়েছে। এ সময়ে দুই দেশের বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতায়ও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তিনি জানান,
আরও পড়ুন,এসআইআরবিরোধী বিক্ষোভে সক্রিয় হচ্ছে টিভিকে
আগামী বছর চীন ও ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৩৫তম বার্ষিকী। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কের প্রতি সমর্থন জোরদারে এই বার্ষিকীকে কাজে লাগাতে আগ্রহী বেইজিং। ফিলিস্তিন সংকট প্রসঙ্গে ওয়াং ই বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক অবিচার। তাঁর মতে, এ সংকটের স্থায়ী সমাধানের সঠিক পথ হলো দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান। অর্থাৎ, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল দুই রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, সব পক্ষকে সংলাপ ও আলোচনায় ফিরিয়ে আনতে এবং সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন। ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি—উভয় জনগোষ্ঠীরই শান্তিতে বসবাস এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। জবাবে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বলেন, তাঁর দেশ দৃঢ়ভাবে এক-চীন নীতি মেনে চলে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়িয়ে চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী ইসরায়েল। হারজোগ আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ইসরায়েল বিভিন্ন হুমকি ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, যার জবাবে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চীনের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন