‘নাটক হোক শোষণমুক্তির হাতিয়ার’ এই স্লোগানকে ধারণ করে ৪৮ বছর পূর্তি ও ৪৯ বছরে পদার্পণ উদ্যাপন করেছে বাগেরহাট থিয়েটার। এ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেগুনবাগিচাস্থ স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর ও নাটক ‘ফান্দে পড়িয়া’। বাগেরহাট থিয়েটার ঢাকা ইউনিটের আয়োজনে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রথম পর্বে পরিবেশিত হয় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর। শব্দকল্পদ্রুমের শিশু-কিশোর শিক্ষার্থী ও আবৃত্তিশিল্পীদের অংশগ্রহণে এতে পাঠ করা হয় ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, মাতৃভাষা, ঋতুবৈচিত্র্য ও বাংলার লোকঐতিহ্যভিত্তিক বিভিন্ন পুঁথি। আসরে কবি মারুফুল ইসলামের ‘একুশের পুঁথি’ ও ‘স্বাধীনতার পুঁথি’, কালের লিখনের ‘মাতৃভাষার পুঁথি’,
আরও পড়ুন,আবারও একসঙ্গে অপু-আদনান
ফয়জুল আলম পাপ্পুর ‘মুক্তিযুদ্ধের পুঁথি’সহ বিভিন্ন কবির রচনা পরিবেশিত হয়। পাশাপাশি মৈমনসিংহ গীতিকার ‘মহুয়ার পালা’ ও ‘কমলাসুন্দরীর গাঁথা’র অংশবিশেষ এবং রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ‘রাস্তার কবিতা’ পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও নির্দেশনা দেন নাজমুল আহসান। দ্বিতীয় পর্বে মঞ্চস্থ হয় সুবিনয় দাসের লেখা নাটক ‘ফান্দে পড়িয়া’। নাটকটির নবনাট্যরূপ ও নির্দেশনায় ছিলেন তাবেদার ই রসুল চান্নু। এতে অভিনয় করেন এইচ এম আল মামুন, অপু আহমেদ, তকদির আবিদ পনি, আখতারুজ্জামান ঝুলন, রহমাতুল করিম, ফাহিমা তাজরিন আভিজা ও তাবেদার ই রসুল চান্নু। নাটকটির প্রযোজনায় ছিল বাগেরহাট থিয়েটার। এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একই দিনে বাংলাদেশ বেতার ঢাকা কেন্দ্র থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রুতিনাটক ‘ডাকঘর’ সম্প্রচার করা হয় রাত ১০টায়। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নাট্যকার ও অভিনেতা শেখ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪৮ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয় বাগেরহাট থিয়েটার। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নাটককে সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে আসছে সংগঠনটি। বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
বিষয় : ঢাকা নাটক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
‘নাটক হোক শোষণমুক্তির হাতিয়ার’ এই স্লোগানকে ধারণ করে ৪৮ বছর পূর্তি ও ৪৯ বছরে পদার্পণ উদ্যাপন করেছে বাগেরহাট থিয়েটার। এ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেগুনবাগিচাস্থ স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর ও নাটক ‘ফান্দে পড়িয়া’। বাগেরহাট থিয়েটার ঢাকা ইউনিটের আয়োজনে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রথম পর্বে পরিবেশিত হয় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর। শব্দকল্পদ্রুমের শিশু-কিশোর শিক্ষার্থী ও আবৃত্তিশিল্পীদের অংশগ্রহণে এতে পাঠ করা হয় ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, মাতৃভাষা, ঋতুবৈচিত্র্য ও বাংলার লোকঐতিহ্যভিত্তিক বিভিন্ন পুঁথি। আসরে কবি মারুফুল ইসলামের ‘একুশের পুঁথি’ ও ‘স্বাধীনতার পুঁথি’, কালের লিখনের ‘মাতৃভাষার পুঁথি’,
আরও পড়ুন,আবারও একসঙ্গে অপু-আদনান
ফয়জুল আলম পাপ্পুর ‘মুক্তিযুদ্ধের পুঁথি’সহ বিভিন্ন কবির রচনা পরিবেশিত হয়। পাশাপাশি মৈমনসিংহ গীতিকার ‘মহুয়ার পালা’ ও ‘কমলাসুন্দরীর গাঁথা’র অংশবিশেষ এবং রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ‘রাস্তার কবিতা’ পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও নির্দেশনা দেন নাজমুল আহসান। দ্বিতীয় পর্বে মঞ্চস্থ হয় সুবিনয় দাসের লেখা নাটক ‘ফান্দে পড়িয়া’। নাটকটির নবনাট্যরূপ ও নির্দেশনায় ছিলেন তাবেদার ই রসুল চান্নু। এতে অভিনয় করেন এইচ এম আল মামুন, অপু আহমেদ, তকদির আবিদ পনি, আখতারুজ্জামান ঝুলন, রহমাতুল করিম, ফাহিমা তাজরিন আভিজা ও তাবেদার ই রসুল চান্নু। নাটকটির প্রযোজনায় ছিল বাগেরহাট থিয়েটার। এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একই দিনে বাংলাদেশ বেতার ঢাকা কেন্দ্র থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রুতিনাটক ‘ডাকঘর’ সম্প্রচার করা হয় রাত ১০টায়। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নাট্যকার ও অভিনেতা শেখ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪৮ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয় বাগেরহাট থিয়েটার। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নাটককে সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে আসছে সংগঠনটি। বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন