দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর এই ধাপকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযুক্ত করার আগে আরও দুটি অনুমোদন প্রয়োজন হবে। প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমনের সেফটি ভালভ বা পিওআরভি এবং পিওএসভি নিয়ে জটিলতার কারণে এতদিন এই অনুমোদন আটকে ছিল। পরে রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ দল এসে বিভিন্ন কৌশলে সমস্যাটির সমাধান করে। এরপর একাধিক পরীক্ষায় সেফটি ভালভ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়।
আরও পড়ুন,আজ জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস
ফলে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে আগামী ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর আগে গত ২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এদিকে গত ৩ অক্টোবর রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালানও সফলভাবে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। নতুন অনুমোদনের ফলে প্রথম ইউনিটের রিয়্যাক্টরে জ্বালানি লোড করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহড়া শুরু করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া যাবে। রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পাবনার রূপপুরে নির্মাণ করা হচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে। কেন্দ্রটিতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট নির্মাণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর এই ধাপকে বলা হয় ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযুক্ত করার আগে আরও দুটি অনুমোদন প্রয়োজন হবে। প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমনের সেফটি ভালভ বা পিওআরভি এবং পিওএসভি নিয়ে জটিলতার কারণে এতদিন এই অনুমোদন আটকে ছিল। পরে রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ দল এসে বিভিন্ন কৌশলে সমস্যাটির সমাধান করে। এরপর একাধিক পরীক্ষায় সেফটি ভালভ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়।
আরও পড়ুন,আজ জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস
ফলে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে আগামী ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর আগে গত ২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এদিকে গত ৩ অক্টোবর রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালানও সফলভাবে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। নতুন অনুমোদনের ফলে প্রথম ইউনিটের রিয়্যাক্টরে জ্বালানি লোড করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহড়া শুরু করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া যাবে। রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পাবনার রূপপুরে নির্মাণ করা হচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে। কেন্দ্রটিতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট নির্মাণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন