বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় নাসরিন সোলতানা (১৯) নামের এক তরুনীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোব) দিনগত রাতে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের অংসারঝিরির একটি বাগান থেকে তরুনীর লাশটি উদ্ধার করা হয়। তরুনী নাসরিন সোলতানা অংসারঝিরি পাড়ার বাসিন্দা আব্দুল গফুরের মেয়ে। এদিকে নাসরিন সোলতানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা। এ প্রেক্ষিতে পুুিলশ সন্দেহ ভাজন দুই যুবককে জিঙ্গাসাবাদের জন্য আটক করেছেন। আটকরা হলো- অংসারঝিরি পাড়ার বাসিন্দা আবু তালেবের ছেলে মো. বেলাল (২০) ও ডানহাতির ছড়া পাড়ার বাসিন্দা মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. বেলাল (১৯)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সাবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী ইউনিয়নের সাহাজিল পাড়ার মৃত আবু তালেক’র ছেলে মো. বেলাল হোসেনের (১৯) সাথে নাসরিনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাদের বিয়ের বিষয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তাও চলছিল।
আরও পড়ুন,সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, হাফ ভাড়ার দাবিতে আল্টিমেটাম
একপর্যায়ে বিয়ের কাবিন ও অন্যান্য খরচ বাবদ নাসরিনের পরিবারের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হলে বেলাল হোসেন’র পরিবার ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে বেলালের পরিবারের সঙ্গে নাসরিনের পরিবারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এক পর্যাযে স্থানীয়রা বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গিয়াসা উদ্দিনের বাগানের একটি ম্যালেরিয়া গাছে নাসরিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নাসরিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে নাসরিন সোলতানার ভাই আলী আহম্মদ অভিযোগ করে জানান, নাসরিনের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান আলী আহমদ। এ বিষয়ে কুমারী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ জামিল আহমদ বলেন, প্রাথমিক সূরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে নাসরিনের লাশ বান্দরবান সদর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহ ভাজন আটক দুই যুবককে জিঙ্গাসাবাদ চলছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় নাসরিন সোলতানা (১৯) নামের এক তরুনীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোব) দিনগত রাতে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের অংসারঝিরির একটি বাগান থেকে তরুনীর লাশটি উদ্ধার করা হয়। তরুনী নাসরিন সোলতানা অংসারঝিরি পাড়ার বাসিন্দা আব্দুল গফুরের মেয়ে। এদিকে নাসরিন সোলতানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা। এ প্রেক্ষিতে পুুিলশ সন্দেহ ভাজন দুই যুবককে জিঙ্গাসাবাদের জন্য আটক করেছেন। আটকরা হলো- অংসারঝিরি পাড়ার বাসিন্দা আবু তালেবের ছেলে মো. বেলাল (২০) ও ডানহাতির ছড়া পাড়ার বাসিন্দা মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. বেলাল (১৯)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সাবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী ইউনিয়নের সাহাজিল পাড়ার মৃত আবু তালেক’র ছেলে মো. বেলাল হোসেনের (১৯) সাথে নাসরিনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাদের বিয়ের বিষয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তাও চলছিল।
আরও পড়ুন,সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, হাফ ভাড়ার দাবিতে আল্টিমেটাম
একপর্যায়ে বিয়ের কাবিন ও অন্যান্য খরচ বাবদ নাসরিনের পরিবারের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হলে বেলাল হোসেন’র পরিবার ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে বেলালের পরিবারের সঙ্গে নাসরিনের পরিবারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এক পর্যাযে স্থানীয়রা বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গিয়াসা উদ্দিনের বাগানের একটি ম্যালেরিয়া গাছে নাসরিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নাসরিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে নাসরিন সোলতানার ভাই আলী আহম্মদ অভিযোগ করে জানান, নাসরিনের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান আলী আহমদ। এ বিষয়ে কুমারী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ জামিল আহমদ বলেন, প্রাথমিক সূরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে নাসরিনের লাশ বান্দরবান সদর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহ ভাজন আটক দুই যুবককে জিঙ্গাসাবাদ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন