কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে (২১) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবক মো. মিজান মিয়ার (২৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্ত মো. মিজান মিয়া সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের বানিয়াকান্দি গ্রামের কাশেম মিয়ার ছেলে।আরও পড়ুন, নরসিংদীর পলাশে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুনঅভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে যশোদল ইউনিয়নের মধ্য যশোদল এলাকার ওই তরুণী কম্পিউটার শেখার উদ্দেশ্যে মিজান মিয়ার পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হন। শুরুতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক থাকলেও ধীরে ধীরে অভিযুক্ত তার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ বাড়াতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রথমদিকে তিনি এতে সাড়া না দিলেও বিয়ের আশ্বাস ও ভবিষ্যতে সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্ত তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।আরও পড়ুন, রামিসা হত্যায় কড়া বার্তা তারেক রহমানের, ‘সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে’অভিযোগে আরও বলা হয়, কয়েক মাস ধরে বিয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে থাকেন। একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজনের মাধ্যমে তরুণী জানতে পারেন, মিজান মিয়া অন্যত্র বিয়ের চেষ্টা করছেন। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং নিজেকে প্রতারণার শিকার বলে মনে করেন। আরও পড়ুন, সাভারে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক, আটক ৪ভুক্তভোগী তরুণীর দাবি, গত ১৮ মে সকালে তিনি অভিযুক্তের কোচিং সেন্টারে গিয়ে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কথা বলতে চাইলে মিজান মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গালিগালাজ করেন এবং বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। অভিযোগ করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।