জামালপুরের মাদারগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দের চালের ডিও (Delivery Order) ছাড় হওয়ার আগেই তা কম দামে কিনে নেওয়ার এক অভিনব অভিযোগ উঠেছে বালিজুড়ি বাজারের চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজির বিরুদ্ধে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সরকারি বরাদ্দ বা ডিও আসার আগেই তিনি বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অগ্রিম টাকা দিয়ে চালের ডিও বুকিং করে নিচ্ছেন। স্থানীয় ও মণ্ডপ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার প্রতিটি স্থায়ী ও অস্থায়ী পূজা মণ্ডপের অনুকূলে সরকারিভাবে চাল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। তবে এই বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক ডিও মণ্ডপ কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছানোর আগেই তৎপর হয়ে উঠেছেন বালিজুড়ি বাজারের প্রভাবশালী চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজি।
আরও পড়ুন,বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৬ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
তিনি মণ্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সাথে গোপনে যোগাযোগ করে বাজার মূল্যের চেয়ে বেশ কম দামে সরকারি চাল আগাম কিনে নিচ্ছেন এবং চালের ডিও তাঁর নামে বা তাঁর আড়তে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য অগ্রিম টাকা (দাদন) দিয়ে আসছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি মণ্ডপের সাধারণ সম্পাদক জানান, চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজি নিজে অথবা তাঁর প্রতিনিধি পাঠিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আগেভাগেই টাকা দিয়ে ডিও নিশ্চিত করছেন। কমিটির দায়িত্বশীল কেউ কেউ টাকার প্রয়োজনে সরকারি চালের ডিও আসার আগেই তা এই ব্যবসায়ীর কাছে অল্প দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে সরকারের দেওয়া বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে এবং মণ্ডপগুলো কাঙ্ক্ষিত আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে স্থানীয় সচেতন মহল ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, ডিও আসার আগেই এভাবে সরকারি চাল আগাম কেনাবেচা করা সম্পূর্ণ বেআইনি। এতে করে মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও প্রকৃত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মণ্ডপগুলো। তারা এই সিন্ডিকেট বন্ধে এবং সরকারি চাল কালোবাজারে যাওয়া রোধ করতে মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দের চালের ডিও (Delivery Order) ছাড় হওয়ার আগেই তা কম দামে কিনে নেওয়ার এক অভিনব অভিযোগ উঠেছে বালিজুড়ি বাজারের চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজির বিরুদ্ধে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সরকারি বরাদ্দ বা ডিও আসার আগেই তিনি বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অগ্রিম টাকা দিয়ে চালের ডিও বুকিং করে নিচ্ছেন। স্থানীয় ও মণ্ডপ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার প্রতিটি স্থায়ী ও অস্থায়ী পূজা মণ্ডপের অনুকূলে সরকারিভাবে চাল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। তবে এই বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক ডিও মণ্ডপ কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছানোর আগেই তৎপর হয়ে উঠেছেন বালিজুড়ি বাজারের প্রভাবশালী চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজি।
আরও পড়ুন,বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৬ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
তিনি মণ্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সাথে গোপনে যোগাযোগ করে বাজার মূল্যের চেয়ে বেশ কম দামে সরকারি চাল আগাম কিনে নিচ্ছেন এবং চালের ডিও তাঁর নামে বা তাঁর আড়তে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য অগ্রিম টাকা (দাদন) দিয়ে আসছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি মণ্ডপের সাধারণ সম্পাদক জানান, চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজি নিজে অথবা তাঁর প্রতিনিধি পাঠিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আগেভাগেই টাকা দিয়ে ডিও নিশ্চিত করছেন। কমিটির দায়িত্বশীল কেউ কেউ টাকার প্রয়োজনে সরকারি চালের ডিও আসার আগেই তা এই ব্যবসায়ীর কাছে অল্প দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে সরকারের দেওয়া বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে এবং মণ্ডপগুলো কাঙ্ক্ষিত আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাল ব্যবসায়ী শহীদ হাজির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে স্থানীয় সচেতন মহল ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, ডিও আসার আগেই এভাবে সরকারি চাল আগাম কেনাবেচা করা সম্পূর্ণ বেআইনি। এতে করে মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও প্রকৃত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মণ্ডপগুলো। তারা এই সিন্ডিকেট বন্ধে এবং সরকারি চাল কালোবাজারে যাওয়া রোধ করতে মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন