গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা পুলিশ ০৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার এজাহারভুক্ত ও সন্দেহভাজন মোট ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভূয়া ডিবি পরিচয়ে অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মোঃ রবিউল (৪২) কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আব্দুল মজিদ মিয়া ও রফিকা বেগমের ছেলে। তার স্থায়ী ঠিকানা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর এলাকায় এবং বর্তমানে গাজীপুরের ভোগড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। এদিকে মারামারি মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন ইমরান (২৫), মুসা (১৮) এবং তৌহিদ (৪০)। ইমরান ও মুসা বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ কুবদন এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে চান্দনা বরকত সরণি এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। অপরদিকে তৌহিদ বরগুনা সদর উপজেলার বামনা এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে একই এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
আরও পড়ুন,কসবায় ইজিপিপি প্লাস শ্রমিক তালিকা নিয়ে হাতাহাতি-সংঘর্ষ , বিএনপির ৫ নেতা-কর্মী আহত
অন্যদিকে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন মোঃ রাজিব শেখ ওরফে রিংকু (৩৬) এবং মোঃ শাওন আহাম্মেদ (২৩)। রাজিব শেখ মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাগড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে ভোগড়া গরুকাটা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতেন। শাওন আহাম্মেদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার মহিদপুর এলাকায় হলেও তিনি বর্তমানে বাসন সড়কের নাভানা মোড় এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। বাসন থানা পুলিশ জানায়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত সকলকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা পুলিশ ০৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার এজাহারভুক্ত ও সন্দেহভাজন মোট ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভূয়া ডিবি পরিচয়ে অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মোঃ রবিউল (৪২) কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আব্দুল মজিদ মিয়া ও রফিকা বেগমের ছেলে। তার স্থায়ী ঠিকানা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর এলাকায় এবং বর্তমানে গাজীপুরের ভোগড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। এদিকে মারামারি মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন ইমরান (২৫), মুসা (১৮) এবং তৌহিদ (৪০)। ইমরান ও মুসা বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ কুবদন এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে চান্দনা বরকত সরণি এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। অপরদিকে তৌহিদ বরগুনা সদর উপজেলার বামনা এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে একই এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
আরও পড়ুন,কসবায় ইজিপিপি প্লাস শ্রমিক তালিকা নিয়ে হাতাহাতি-সংঘর্ষ , বিএনপির ৫ নেতা-কর্মী আহত
অন্যদিকে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন মোঃ রাজিব শেখ ওরফে রিংকু (৩৬) এবং মোঃ শাওন আহাম্মেদ (২৩)। রাজিব শেখ মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাগড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে ভোগড়া গরুকাটা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতেন। শাওন আহাম্মেদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার মহিদপুর এলাকায় হলেও তিনি বর্তমানে বাসন সড়কের নাভানা মোড় এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। বাসন থানা পুলিশ জানায়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত সকলকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন