গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে হাজতী বন্দি ‘পিচ্চি রাজা’ নামে পরিচিত রাজা ওরফে বাদশার পলায়নের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।জিএমপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে ২৯ জন আসামিকে প্রিজনার ভ্যানে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে আনার সময় কোনাবাড়ী থানার বাইমাইল ব্রিজ এলাকার পশ্চিমে হাজতী বন্দি রাজা ওরফে বাদশা ওরফে পিচ্চি রাজা (৩৪) কৌশলে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় কোনাবাড়ী থানায় পেনাল কোডের ২২৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলার তদন্তভার জিএমপি ডিবি (দক্ষিণ) বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুৃন, ১৪ মামলায় হয়রানির অভিযোগ সেনাসদস্যের পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
তদন্তে নেমে ডিবি পুলিশ বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে উঠে আসে, আদালত থেকে ফেরার পথে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রিজনার ভ্যান থামানো হয়। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস ড্রাইভার নায়েক কামাল হোসেনের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নিয়ে পিচ্চি রাজা এবং অপর হাজতী খাইরুল বাশারকে ভ্যান থেকে নামান।তদন্তে আরও জানা যায়, খাইরুল বাশারকে ভ্যানের সামনের অংশে রাখা হলেও পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর আর প্রিজনার ভ্যানে ওঠেননি। বরং আগে থেকেই অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে করে পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে কোনাবাড়ী এলাকায় পলায়নের নাটক সাজানো হয় বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন। তারা হলেন—
১. এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস,
২. ড্রাইভার নায়েক কামাল হোসেন এবং
৩. পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা।
জিএমপি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি এবং পলাতক আসামি পিচ্চি রাজাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
বিষয় : রহস্য উদঘাটন ডিবির তদন্ত

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে হাজতী বন্দি ‘পিচ্চি রাজা’ নামে পরিচিত রাজা ওরফে বাদশার পলায়নের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।জিএমপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে ২৯ জন আসামিকে প্রিজনার ভ্যানে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে আনার সময় কোনাবাড়ী থানার বাইমাইল ব্রিজ এলাকার পশ্চিমে হাজতী বন্দি রাজা ওরফে বাদশা ওরফে পিচ্চি রাজা (৩৪) কৌশলে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় কোনাবাড়ী থানায় পেনাল কোডের ২২৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলার তদন্তভার জিএমপি ডিবি (দক্ষিণ) বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুৃন, ১৪ মামলায় হয়রানির অভিযোগ সেনাসদস্যের পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
তদন্তে নেমে ডিবি পুলিশ বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে উঠে আসে, আদালত থেকে ফেরার পথে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রিজনার ভ্যান থামানো হয়। সেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস ড্রাইভার নায়েক কামাল হোসেনের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নিয়ে পিচ্চি রাজা এবং অপর হাজতী খাইরুল বাশারকে ভ্যান থেকে নামান।তদন্তে আরও জানা যায়, খাইরুল বাশারকে ভ্যানের সামনের অংশে রাখা হলেও পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর আর প্রিজনার ভ্যানে ওঠেননি। বরং আগে থেকেই অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে করে পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে কোনাবাড়ী এলাকায় পলায়নের নাটক সাজানো হয় বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন। তারা হলেন—
১. এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস,
২. ড্রাইভার নায়েক কামাল হোসেন এবং
৩. পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা।
জিএমপি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি এবং পলাতক আসামি পিচ্চি রাজাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন