দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার-ব্যাটার জশ ইংলিস। ডান হাতের তর্জনীতে চোট পাওয়ায় আগামী মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও তার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ডারবানে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ের সময় আঙুলে চোট পান ইংলিস। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৩ রান করে বিয়র্ন ফরচুনের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে হারারেতে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, চোটের বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ইংলিস দেশে ফিরবেন। আগামী মাসের টেস্ট সিরিজে তার অংশগ্রহণের বিষয়ে চোটের অবস্থা ও পুনর্বাসনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ইংলিসের অনুপস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব পালন করবেন অ্যালেক্স ক্যারি। সাম্প্রতিক সময়ে দুজন একসঙ্গে খেললে ইংলিস উইকেটের পেছনে দাঁড়ালেও এবার আবারও কিপিং গ্লাভস হাতে নিতে হচ্ছে ক্যারিকে।
আরও পড়ুন, পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে ফিফা আসিয়ান কাপে থাইল্যান্ডের দুর্দান্ত শুরু
টেস্ট স্কোয়াডেও রয়েছেন ইংলিস। সেখানে তিনি অতিরিক্ত ব্যাটার ও রিজার্ভ উইকেটকিপার হিসেবে বিবেচিত। এখন পর্যন্ত পাঁচটি টেস্ট খেলেছেন তিনি। সবগুলোতেই বিশেষজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে খেলেছেন এবং চার থেকে সাত নম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন পজিশনে ব্যাটিং করেছেন। ২০২৫ সালের শুরুতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকেই সেঞ্চুরি করেন ইংলিস। তবে পরের ছয় ইনিংসে আর ৩২ রানের বেশি করতে পারেননি।টেস্ট সিরিজের আগে ইংলিস সুস্থ হয়ে ফিরতে না পারলে অস্ট্রেলিয়াকে বিকল্প উইকেটকিপার নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। কারণ, ক্যারি চোটে পড়লে স্কোয়াডে আর কোনো বিশেষজ্ঞ উইকেটকিপার থাকবেন না।ইংলিসের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বর্তমানে ভারত সফরে থাকা অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের জশ ফিলিপ ও স্যাম হার্পারের নাম আলোচনায় আসতে পারে। এছাড়া নাথান ম্যাকসুইনি ও অভিজ্ঞ পিটার হ্যান্ডসকম্বও বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। হ্যান্ডসকম্ব ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটকিপিংও করতে পারেন।অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির মৌসুম এখনও শুরু হয়নি। শেফিল্ড শিল্ডের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্টের সময়েই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।এদিকে ২০২১-২২ অ্যাশেজে অভিষেকের পর থেকে কোনো টেস্ট মিস করেননি অ্যালেক্স ক্যারি। গত মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকেতে নিজের ৫০তম টেস্ট খেলেছেন তিনি। গত বছর জ্যামাইকায় ক্যারি কনকাশনে আক্রান্ত হলে তার কাছ থেকে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইংলিস।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার-ব্যাটার জশ ইংলিস। ডান হাতের তর্জনীতে চোট পাওয়ায় আগামী মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও তার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ডারবানে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ের সময় আঙুলে চোট পান ইংলিস। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৩ রান করে বিয়র্ন ফরচুনের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে আউট হন তিনি। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে হারারেতে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, চোটের বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ইংলিস দেশে ফিরবেন। আগামী মাসের টেস্ট সিরিজে তার অংশগ্রহণের বিষয়ে চোটের অবস্থা ও পুনর্বাসনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ইংলিসের অনুপস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব পালন করবেন অ্যালেক্স ক্যারি। সাম্প্রতিক সময়ে দুজন একসঙ্গে খেললে ইংলিস উইকেটের পেছনে দাঁড়ালেও এবার আবারও কিপিং গ্লাভস হাতে নিতে হচ্ছে ক্যারিকে।
আরও পড়ুন, পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে ফিফা আসিয়ান কাপে থাইল্যান্ডের দুর্দান্ত শুরু
টেস্ট স্কোয়াডেও রয়েছেন ইংলিস। সেখানে তিনি অতিরিক্ত ব্যাটার ও রিজার্ভ উইকেটকিপার হিসেবে বিবেচিত। এখন পর্যন্ত পাঁচটি টেস্ট খেলেছেন তিনি। সবগুলোতেই বিশেষজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে খেলেছেন এবং চার থেকে সাত নম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন পজিশনে ব্যাটিং করেছেন। ২০২৫ সালের শুরুতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকেই সেঞ্চুরি করেন ইংলিস। তবে পরের ছয় ইনিংসে আর ৩২ রানের বেশি করতে পারেননি।টেস্ট সিরিজের আগে ইংলিস সুস্থ হয়ে ফিরতে না পারলে অস্ট্রেলিয়াকে বিকল্প উইকেটকিপার নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। কারণ, ক্যারি চোটে পড়লে স্কোয়াডে আর কোনো বিশেষজ্ঞ উইকেটকিপার থাকবেন না।ইংলিসের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বর্তমানে ভারত সফরে থাকা অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের জশ ফিলিপ ও স্যাম হার্পারের নাম আলোচনায় আসতে পারে। এছাড়া নাথান ম্যাকসুইনি ও অভিজ্ঞ পিটার হ্যান্ডসকম্বও বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। হ্যান্ডসকম্ব ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটকিপিংও করতে পারেন।অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির মৌসুম এখনও শুরু হয়নি। শেফিল্ড শিল্ডের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্টের সময়েই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।এদিকে ২০২১-২২ অ্যাশেজে অভিষেকের পর থেকে কোনো টেস্ট মিস করেননি অ্যালেক্স ক্যারি। গত মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকেতে নিজের ৫০তম টেস্ট খেলেছেন তিনি। গত বছর জ্যামাইকায় ক্যারি কনকাশনে আক্রান্ত হলে তার কাছ থেকে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইংলিস।

আপনার মতামত লিখুন