১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বা বিজেএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ হিসেবে সাময়িকভাবে মনোনীত হয়েছেন।বুধবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলে জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ সিভিল জজ হিসেবে মোট ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ১৪ জন এবং ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ থেকে চারজন এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে আইন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের হাবিব তৌহিদুল নুসরাত জাহান তানী ও রোকনুজ্জামান রায়হান এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের রাজু আহমেদও সাফল্য অর্জন করেছেন।বিজেএসসি জানিয়েছে প্রার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্যে অসত্যতা গোপনীয়তা বা যোগ্যতার ঘাটতি পাওয়া গেলে তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে। একইভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অযোগ্যতা কিংবা পুলিশ ভেরিফিকেশনে বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলেও মনোনয়ন বাতিলের বিধান রয়েছে।এদিকে সাফল্যের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী জজ শাকির আলম বলেন টানা দুইবার ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তৃতীয়বারের চেষ্টায় সফল হয়েছেন তিনি।
আড়ও পড়ুন,হাতিয়ায় ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম রাজা ইলিশের দাম ১০ হাজার ৯০০ টাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই বিচারক হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা ছিল বলেও জানান শাকির।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন বলেন বিভাগটি প্রতিবছরই জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় ভালো ফল করছে। এবার আরও ভালো ফল হয়েছে। জুডিশিয়ারিতে যেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের গাইডলাইন দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভিত্তি মজবুত করতে বিভাগ কাজ করবে বলেও জানান তিনি।বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো একই হলের একই কক্ষে থাকা তিন শিক্ষার্থী এবার জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিভাগীয় সভাপতি।
বিষয় : পরীক্ষা শিক্ষার্থী

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বা বিজেএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ হিসেবে সাময়িকভাবে মনোনীত হয়েছেন।বুধবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলে জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ সিভিল জজ হিসেবে মোট ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ১৪ জন এবং ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ থেকে চারজন এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে আইন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের হাবিব তৌহিদুল নুসরাত জাহান তানী ও রোকনুজ্জামান রায়হান এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের রাজু আহমেদও সাফল্য অর্জন করেছেন।বিজেএসসি জানিয়েছে প্রার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্যে অসত্যতা গোপনীয়তা বা যোগ্যতার ঘাটতি পাওয়া গেলে তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে। একইভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অযোগ্যতা কিংবা পুলিশ ভেরিফিকেশনে বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলেও মনোনয়ন বাতিলের বিধান রয়েছে।এদিকে সাফল্যের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী জজ শাকির আলম বলেন টানা দুইবার ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তৃতীয়বারের চেষ্টায় সফল হয়েছেন তিনি।
আড়ও পড়ুন,হাতিয়ায় ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম রাজা ইলিশের দাম ১০ হাজার ৯০০ টাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই বিচারক হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা ছিল বলেও জানান শাকির।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন বলেন বিভাগটি প্রতিবছরই জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় ভালো ফল করছে। এবার আরও ভালো ফল হয়েছে। জুডিশিয়ারিতে যেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের গাইডলাইন দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভিত্তি মজবুত করতে বিভাগ কাজ করবে বলেও জানান তিনি।বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো একই হলের একই কক্ষে থাকা তিন শিক্ষার্থী এবার জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিভাগীয় সভাপতি।

আপনার মতামত লিখুন