বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সম্প্রতি গ্রাহকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অসন্তোষ। শহর থেকে গ্রাম—প্রিপেইড ও পোস্টপেইড দুই ধরনের মিটার ব্যবহারকারীরাই বিলের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য রয়েছে সাতটি স্ল্যাব। নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দামও বেড়ে যায়। এর সঙ্গে যোগ হয় পাঁচ শতাংশ ভ্যাট।তবে শুধু ব্যবহৃত বিদ্যুতের দামই নয়। গ্রাহকের বিলে যুক্ত হচ্ছে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া। আগের কোনো বিল বকেয়া থাকলে তার সঙ্গে বিলম্ব মাশুলও যোগ হতে পারে।বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা। ফলে দুই কিলোওয়াট লোডের গ্রাহককে মাসে ৮৪ টাকা এবং ১০ কিলোওয়াট লোডের গ্রাহককে ৪২০ টাকা ডিমান্ড চার্জ দিতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন, গুলশানের এডিসিসহ ডিএমপির চার কর্মকর্তা বদলি
প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রেও রিচার্জের সময় বিভিন্ন চার্জ কেটে নেওয়া হয়। সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য মাসে ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য ২৫০ টাকা ভাড়া নেওয়ার তথ্য জানিয়েছে বিতরণ সংস্থাগুলো।এ কারণে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও সংযোগ চালু রাখার জন্য নিয়মিত বিভিন্ন চার্জ দিতে হচ্ছে।ভোক্তা প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে বিতরণ সংস্থাগুলোর দাবি, প্রিপেইড ও পোস্টপেইডে একই হারে নির্ধারিত চার্জ নেওয়া হয় এবং প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত কোনো টাকা কাটা হয় না।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সম্প্রতি গ্রাহকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অসন্তোষ। শহর থেকে গ্রাম—প্রিপেইড ও পোস্টপেইড দুই ধরনের মিটার ব্যবহারকারীরাই বিলের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য রয়েছে সাতটি স্ল্যাব। নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দামও বেড়ে যায়। এর সঙ্গে যোগ হয় পাঁচ শতাংশ ভ্যাট।তবে শুধু ব্যবহৃত বিদ্যুতের দামই নয়। গ্রাহকের বিলে যুক্ত হচ্ছে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া। আগের কোনো বিল বকেয়া থাকলে তার সঙ্গে বিলম্ব মাশুলও যোগ হতে পারে।বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা। ফলে দুই কিলোওয়াট লোডের গ্রাহককে মাসে ৮৪ টাকা এবং ১০ কিলোওয়াট লোডের গ্রাহককে ৪২০ টাকা ডিমান্ড চার্জ দিতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন, গুলশানের এডিসিসহ ডিএমপির চার কর্মকর্তা বদলি
প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রেও রিচার্জের সময় বিভিন্ন চার্জ কেটে নেওয়া হয়। সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য মাসে ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য ২৫০ টাকা ভাড়া নেওয়ার তথ্য জানিয়েছে বিতরণ সংস্থাগুলো।এ কারণে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও সংযোগ চালু রাখার জন্য নিয়মিত বিভিন্ন চার্জ দিতে হচ্ছে।ভোক্তা প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে বিতরণ সংস্থাগুলোর দাবি, প্রিপেইড ও পোস্টপেইডে একই হারে নির্ধারিত চার্জ নেওয়া হয় এবং প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত কোনো টাকা কাটা হয় না।

আপনার মতামত লিখুন