দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে বছরের শেষ চার মাসে প্রায় ৭ লাখ টন অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত কমিটির ২৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ের জন্য সরকার-টু-সরকার বা জি-টু-জি ব্যবস্থায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস ওয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানি করা হবে।জানা গেছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
আরও পড়ুন, ঢাকার আকাশ মেঘলা বৃষ্টির সম্ভাবনা কমতে পারে তাপমাত্রা
সরকারের সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবহন ও শিল্প খাতের বাড়তি চাহিদা এবং বিমান চলাচলে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে বছরের শেষ চার মাসে দেশে যেন জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত থাকে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের সংকট তৈরি না হয় সেজন্য অতিরিক্ত আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি পর্যায়ে প্রচলিত জি-টু-জি ব্যবস্থায় এসব জ্বালানি আমদানি করা হবে। এর ফলে পরিবহন শিল্প ও বিমান চলাচলসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি মজুতও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত আমদানির এই সিদ্ধান্ত বছরের শেষ সময়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকারের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিষয় : অনুমোদন জ্বালানি আমদানি নিরবচ্ছিন্ন

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে বছরের শেষ চার মাসে প্রায় ৭ লাখ টন অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত কমিটির ২৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ের জন্য সরকার-টু-সরকার বা জি-টু-জি ব্যবস্থায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস ওয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানি করা হবে।জানা গেছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
আরও পড়ুন, ঢাকার আকাশ মেঘলা বৃষ্টির সম্ভাবনা কমতে পারে তাপমাত্রা
সরকারের সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবহন ও শিল্প খাতের বাড়তি চাহিদা এবং বিমান চলাচলে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে বছরের শেষ চার মাসে দেশে যেন জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত থাকে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের সংকট তৈরি না হয় সেজন্য অতিরিক্ত আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি পর্যায়ে প্রচলিত জি-টু-জি ব্যবস্থায় এসব জ্বালানি আমদানি করা হবে। এর ফলে পরিবহন শিল্প ও বিমান চলাচলসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি মজুতও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত আমদানির এই সিদ্ধান্ত বছরের শেষ সময়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকারের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন