দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বলেশ্বর নদীতে চারজনকে হত্যার অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য

বলেশ্বর নদীতে চারজনকে হত্যার অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য
চারজনকে হত্যার অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দেওয়া সাক্ষ্যে এমন দাবি করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির।বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর গুমের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। তার সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র‍্যাব-৮-এর গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটান।মেজর সাব্বির জানান, পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকার বলেশ্বর নদীতে একটি ফিশিং ট্রলারে করে চারজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। 

আরও  পড়ুন, কামরুল আহসান হলেন নতুন এসবি প্রধান

তাদের মুখ ও পুরো শরীর ঢাকা ছিল। পরে তাদের হত্যা করে মরদেহ পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।একই পদ্ধতিতে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মেজর সাব্বির।এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ ব্যবহৃত ট্রলারের মাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয় বলে সাক্ষ্য দেন তিনি।গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে এর আগে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন।মামলার পরবর্তী ধাপে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম এগোবে বলে জানা গেছে।

বিষয় : অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাব্বিরের সাক্ষ্য চারজনকে হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বলেশ্বর নদীতে চারজনকে হত্যার অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দেওয়া সাক্ষ্যে এমন দাবি করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির।বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর গুমের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। তার সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র‍্যাব-৮-এর গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটান।মেজর সাব্বির জানান, পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকার বলেশ্বর নদীতে একটি ফিশিং ট্রলারে করে চারজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। 

আরও  পড়ুন, কামরুল আহসান হলেন নতুন এসবি প্রধান

তাদের মুখ ও পুরো শরীর ঢাকা ছিল। পরে তাদের হত্যা করে মরদেহ পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।একই পদ্ধতিতে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মেজর সাব্বির।এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ ব্যবহৃত ট্রলারের মাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয় বলে সাক্ষ্য দেন তিনি।গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে এর আগে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন।মামলার পরবর্তী ধাপে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম এগোবে বলে জানা গেছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বলেশ্বর নদীতে চারজনকে হত্যার অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য
0:00 0:00
1.0x