অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ পরিণতি ও এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে সোচ্চার হয়েছেন অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তরুণ সমাজকে অনলাইন বেটিংয়ের ফাঁদ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি। ভিডিওতে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর দিক তুলে ধরার পাশাপাশি একটি যুবকের করুণ অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন চমক।চমকের বর্ণনা অনুযায়ী, শিহাব নামের ওই যুবক মাত্র এক হাজার টাকা সহজে আয়ের আশায় জুয়া শুরু করেন। পরে হারানো টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা এবং জামানত দেওয়ার অজুহাতে স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নেন তিনি। একপর্যায়ে তার প্রায় ১০ লাখ টাকা হারিয়ে যায় বলে ভিডিওতে দাবি করা হয়।ভিডিওতে চমক জিইডির ২০২৬ সালের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত মানুষের সংখ্যা ও এর আর্থিক পরিসর নিয়েও বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অনলাইন জুয়ার কারণে ব্যক্তি ও পরিবারে আর্থিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেন তিনি।
আরও পড়ুন, ‘দার-ই-নাজাত’-এ জামিলের দ্বিচারিতা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক
চমক আরও বলেন, অনলাইন বেটিংয়ের প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার আগে তারকাদের ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালীদের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সামান্য অর্থের বিনিময়ে বেটিং অ্যাপের প্রচারণা না চালাতেও অন্য তারকা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অনলাইন জুয়া নিয়ে বাংলাদেশের আইনে শাস্তির বিধানও রয়েছে। ২০২৫ সালের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারায় সাইবার স্পেসে জুয়া খেলা এবং এর প্রচার বা বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়াকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে ওই অধ্যাদেশ পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বারা রহিত হয়েছে।সবশেষে তরুণদের সহজে অর্থ উপার্জনের প্রলোভনে না পড়ে নিজেদের দক্ষতা ও পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানান অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।
বিষয় : প্রকাশিত নেতিবাচক ভয়াবহ পরিণতি

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ পরিণতি ও এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে সোচ্চার হয়েছেন অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তরুণ সমাজকে অনলাইন বেটিংয়ের ফাঁদ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি। ভিডিওতে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর দিক তুলে ধরার পাশাপাশি একটি যুবকের করুণ অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন চমক।চমকের বর্ণনা অনুযায়ী, শিহাব নামের ওই যুবক মাত্র এক হাজার টাকা সহজে আয়ের আশায় জুয়া শুরু করেন। পরে হারানো টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা এবং জামানত দেওয়ার অজুহাতে স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নেন তিনি। একপর্যায়ে তার প্রায় ১০ লাখ টাকা হারিয়ে যায় বলে ভিডিওতে দাবি করা হয়।ভিডিওতে চমক জিইডির ২০২৬ সালের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত মানুষের সংখ্যা ও এর আর্থিক পরিসর নিয়েও বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অনলাইন জুয়ার কারণে ব্যক্তি ও পরিবারে আর্থিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেন তিনি।
আরও পড়ুন, ‘দার-ই-নাজাত’-এ জামিলের দ্বিচারিতা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক
চমক আরও বলেন, অনলাইন বেটিংয়ের প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার আগে তারকাদের ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালীদের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সামান্য অর্থের বিনিময়ে বেটিং অ্যাপের প্রচারণা না চালাতেও অন্য তারকা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অনলাইন জুয়া নিয়ে বাংলাদেশের আইনে শাস্তির বিধানও রয়েছে। ২০২৫ সালের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারায় সাইবার স্পেসে জুয়া খেলা এবং এর প্রচার বা বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়াকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে ওই অধ্যাদেশ পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বারা রহিত হয়েছে।সবশেষে তরুণদের সহজে অর্থ উপার্জনের প্রলোভনে না পড়ে নিজেদের দক্ষতা ও পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানান অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।

আপনার মতামত লিখুন