কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্ট থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে। নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে চক্রের সদস্যরা অর্থ হাতিয়ে নিত বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিয়াবুল হক নামে চক্রটির এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ১০টি মোবাইল ফোন ও তিনটি চেকবই।কক্সবাজার পৌরসভার সৈকতপাড়া এলাকা থেকে বুধবার জিয়াবুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পুলিশ জানায়, গত ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চক্রটির সদস্যরা কক্সবাজার শহরের বেশ কয়েকটি তারকা হোটেল ও রিসোর্টে যায়। এর মধ্যে সীগাল হোটেল, হোটেল সাম্পান ও হোটেল কক্স টুডেসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, চক্রের সদস্যরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলত। পর্যটন এলাকার বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী পুলিশ বক্স নির্মাণ করা হবে—এমন কথা বলে এর জন্য অর্থ প্রয়োজন বলে দাবি করত তারা। পরে হোটেল ও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায় করত।ঘটনার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে ৫ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করা হয়।
আরও পড়ুন, মাওয়া থেকে ফেরার পথে প্রাণ গেল সৌদি প্রবাসীর
তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে সৈকতপাড়া এলাকা থেকে জিয়াবুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ বলছে, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পুলিশের পরিচয় ব্যবহার করে একটি চক্র হোটেল ও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করছিল। গ্রেপ্তার ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া মোবাইল ফোন ও চেকবইয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, গ্রেপ্তার জিয়াবুল হককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।পর্যটন এলাকার ব্যবসায়ীদেরও অপরিচিত ব্যক্তি বা সংগঠনের নামে অর্থ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিচয় ও দাবির সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা ও অর্থ আদায়ের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে। তদন্তে চক্রটির আরও সদস্যের নাম এবং প্রতারণার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিষয় : পুলিশ বক্স চাঁদাবাজি, প্রতারকচক্র

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের পর্যটন এলাকায় পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্ট থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে। নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে চক্রের সদস্যরা অর্থ হাতিয়ে নিত বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিয়াবুল হক নামে চক্রটির এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ১০টি মোবাইল ফোন ও তিনটি চেকবই।কক্সবাজার পৌরসভার সৈকতপাড়া এলাকা থেকে বুধবার জিয়াবুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পুলিশ জানায়, গত ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চক্রটির সদস্যরা কক্সবাজার শহরের বেশ কয়েকটি তারকা হোটেল ও রিসোর্টে যায়। এর মধ্যে সীগাল হোটেল, হোটেল সাম্পান ও হোটেল কক্স টুডেসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, চক্রের সদস্যরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলত। পর্যটন এলাকার বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী পুলিশ বক্স নির্মাণ করা হবে—এমন কথা বলে এর জন্য অর্থ প্রয়োজন বলে দাবি করত তারা। পরে হোটেল ও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আদায় করত।ঘটনার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে ৫ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করা হয়।
আরও পড়ুন, মাওয়া থেকে ফেরার পথে প্রাণ গেল সৌদি প্রবাসীর
তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে সৈকতপাড়া এলাকা থেকে জিয়াবুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ বলছে, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পুলিশের পরিচয় ব্যবহার করে একটি চক্র হোটেল ও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করছিল। গ্রেপ্তার ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া মোবাইল ফোন ও চেকবইয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, গ্রেপ্তার জিয়াবুল হককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।পর্যটন এলাকার ব্যবসায়ীদেরও অপরিচিত ব্যক্তি বা সংগঠনের নামে অর্থ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিচয় ও দাবির সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা ও অর্থ আদায়ের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে। তদন্তে চক্রটির আরও সদস্যের নাম এবং প্রতারণার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন