গোপালগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা এস. এম. এনামুল হোসেনের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা এবং দীর্ঘদিন আগে নির্মিত সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিস পিটিশন নং-৪১০/২০২৬ মামলা করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস. এম. এনামুল হোসেন।অভিযোগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এস. এম এনামুল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা তার জায়গা দখলের চেষ্টা করে আসছেন। তাদের অত্যাচার ও হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। তবে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন জানতে পেরে অভিযুক্তরা রাতের আঁধারে তার দীর্ঘদিনের নির্মিত সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষকে ডেকে সতর্ক করে দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা তা উপেক্ষা করে পুনরায় দেয়াল ভেঙে তাদের ক্ষমতা প্রদর্শনের চেষ্টা করেছে। এ অবস্থায় তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হোসেন বলেন, “আমি তাদের হাত থেকে নিরাপদ থাকতে চাই। প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তা এবং বৈধভাবে ক্রয় করা জায়গাটি সঠিকভাবে বুঝে পাওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৮৯ নং ঘোষেরচর মৌজায় অবস্থিত জমি নিয়ে মো. আরিফ মোল্যা, রিয়াদ মোল্যা ও রিপা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
আড়ও পড়ুন,তিস্তার ভাঙনে আতঙ্ক, ২ হাজার বাড়িঘর রক্ষায় জরুরি জিওব্যাগের দাবি
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্যসহকারী কমিশনার (ভূমি), গোপালগঞ্জ সদরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।এরই ধারাবাহিকতায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয়ের নির্দেশে জমির দখল সংক্রান্ত বিষয়ে সরেজমিন তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তের নোটিশে উভয় পক্ষকে নিজ নিজ কাগজপত্র ও মৌজা নকশাসহ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ সকাল ১১টায় সংশ্লিষ্ট জমিতে সরেজমিন তদন্ত অনুষ্ঠিত হবে বলে সরেজমিনে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।তদন্ত-সংক্রান্ত নোটিশে তফশিলভুক্ত জমির বিবরণ হিসেবে ৮৯ নং ঘোষেরচর মৌজা, এসএ খতিয়ান নং-৩০৪, দাগ নং ৪২০২ ও ৪৫৫০ এবং যথাক্রমে ০.২০৭৫ একর ও ০.১৭২৫ একর জমির উল্লেখ রয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আরিফ মোল্যা, রিয়াদ মোল্যা ও রিপা বেগমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট জমির দখল ও বিরোধের বিষয়টি বর্তমানে প্রশাসনিক তদন্তাধীন। সরেজমিন তদন্ত শেষে কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা এস. এম. এনামুল হোসেনের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা এবং দীর্ঘদিন আগে নির্মিত সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিস পিটিশন নং-৪১০/২০২৬ মামলা করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস. এম. এনামুল হোসেন।অভিযোগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা এস. এম এনামুল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা তার জায়গা দখলের চেষ্টা করে আসছেন। তাদের অত্যাচার ও হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। তবে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন জানতে পেরে অভিযুক্তরা রাতের আঁধারে তার দীর্ঘদিনের নির্মিত সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষকে ডেকে সতর্ক করে দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা তা উপেক্ষা করে পুনরায় দেয়াল ভেঙে তাদের ক্ষমতা প্রদর্শনের চেষ্টা করেছে। এ অবস্থায় তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হোসেন বলেন, “আমি তাদের হাত থেকে নিরাপদ থাকতে চাই। প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তা এবং বৈধভাবে ক্রয় করা জায়গাটি সঠিকভাবে বুঝে পাওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৮৯ নং ঘোষেরচর মৌজায় অবস্থিত জমি নিয়ে মো. আরিফ মোল্যা, রিয়াদ মোল্যা ও রিপা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
আড়ও পড়ুন,তিস্তার ভাঙনে আতঙ্ক, ২ হাজার বাড়িঘর রক্ষায় জরুরি জিওব্যাগের দাবি
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্যসহকারী কমিশনার (ভূমি), গোপালগঞ্জ সদরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।এরই ধারাবাহিকতায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয়ের নির্দেশে জমির দখল সংক্রান্ত বিষয়ে সরেজমিন তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তের নোটিশে উভয় পক্ষকে নিজ নিজ কাগজপত্র ও মৌজা নকশাসহ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ সকাল ১১টায় সংশ্লিষ্ট জমিতে সরেজমিন তদন্ত অনুষ্ঠিত হবে বলে সরেজমিনে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।তদন্ত-সংক্রান্ত নোটিশে তফশিলভুক্ত জমির বিবরণ হিসেবে ৮৯ নং ঘোষেরচর মৌজা, এসএ খতিয়ান নং-৩০৪, দাগ নং ৪২০২ ও ৪৫৫০ এবং যথাক্রমে ০.২০৭৫ একর ও ০.১৭২৫ একর জমির উল্লেখ রয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আরিফ মোল্যা, রিয়াদ মোল্যা ও রিপা বেগমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট জমির দখল ও বিরোধের বিষয়টি বর্তমানে প্রশাসনিক তদন্তাধীন। সরেজমিন তদন্ত শেষে কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন