রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চর নোহালী ইউনিয়নের কাচাড়ীপাড়া এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় হুমকির মুখে পড়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। নদীর স্রোতের প্রথম ধাক্কা উজানে অবস্থিত কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টে পড়ায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রায় ২ হাজার বাড়িঘরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে নদীর তীরে অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ মিটার এলাকায় পর্যাপ্ত জিওব্যাগ ফেলে তীর সংরক্ষণের দাবিতে সোমবার দুপুরে তিস্তা নদীর তীরে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চরাঞ্চলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভাঙনপ্রবণ পয়েন্টের মধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টটি সবচেয়ে উজানে অবস্থিত। ফলে তিস্তার স্রোতের প্রথম আঘাত এই পয়েন্টেই আসে। কাচাড়ীপাড়া এলাকায় ভাঙন শুরু হলে ভাটিতে থাকা অপর দুটি পয়েন্টও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন , কথা রাখলেন সদরঘাটের ওসি, ৭২ ঘণ্টার আগেই ৬ ঘণ্টায় ইয়াবা স্পটে অভিযান
মানববন্ধনে স্থানীয় মনিরুজ্জামানসহ আরো কয়েকজন বলেন, কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টটি রক্ষা করা গেলে ভাটির অন্য দুটি ভাঙনপ্রবণ এলাকাও অনেকটা সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। কিন্তু সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে একের পর এক বসতভিটা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এতে শত শত পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়বে। এ কারণে কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টে দ্রুত অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ মিটার এলাকায় পর্যাপ্ত জিওব্যাগ ফেলে নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে চর নোহালীর ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তিস্তার ভাঙনে চরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ বসতভিটা হারাতে পারেন। তাই ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বিলম্ব না করে পর্যাপ্ত জিওব্যাগ সরবরাহ এবং নদীর তীর সংরক্ষণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিষয় : তীব্র আকার তিস্তার ভাঙন

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চর নোহালী ইউনিয়নের কাচাড়ীপাড়া এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় হুমকির মুখে পড়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। নদীর স্রোতের প্রথম ধাক্কা উজানে অবস্থিত কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টে পড়ায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রায় ২ হাজার বাড়িঘরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে নদীর তীরে অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ মিটার এলাকায় পর্যাপ্ত জিওব্যাগ ফেলে তীর সংরক্ষণের দাবিতে সোমবার দুপুরে তিস্তা নদীর তীরে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চরাঞ্চলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভাঙনপ্রবণ পয়েন্টের মধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টটি সবচেয়ে উজানে অবস্থিত। ফলে তিস্তার স্রোতের প্রথম আঘাত এই পয়েন্টেই আসে। কাচাড়ীপাড়া এলাকায় ভাঙন শুরু হলে ভাটিতে থাকা অপর দুটি পয়েন্টও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন , কথা রাখলেন সদরঘাটের ওসি, ৭২ ঘণ্টার আগেই ৬ ঘণ্টায় ইয়াবা স্পটে অভিযান
মানববন্ধনে স্থানীয় মনিরুজ্জামানসহ আরো কয়েকজন বলেন, কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টটি রক্ষা করা গেলে ভাটির অন্য দুটি ভাঙনপ্রবণ এলাকাও অনেকটা সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। কিন্তু সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে একের পর এক বসতভিটা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এতে শত শত পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়বে। এ কারণে কাচাড়ীপাড়া পয়েন্টে দ্রুত অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ মিটার এলাকায় পর্যাপ্ত জিওব্যাগ ফেলে নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে চর নোহালীর ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তিস্তার ভাঙনে চরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ বসতভিটা হারাতে পারেন। তাই ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বিলম্ব না করে পর্যাপ্ত জিওব্যাগ সরবরাহ এবং নদীর তীর সংরক্ষণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন