দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

ভূঞাপুরে চাঁদাবাজদের আতঙ্কে জুট মিল ম্যানেজারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড়

ভূঞাপুরে চাঁদাবাজদের আতঙ্কে জুট মিল ম্যানেজারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড়
জুট মিল ম্যানেজারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড়

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চাঁদা না পেয়ে পাটকলের ম্যানেজারকে হুমকি দেওয়ার পর আতঙ্কে স্ট্রোকে আক্রান্তহয়ে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।গত সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর থানাধীন সারপলশিয়া মৌজায় অবস্থিত ‘ফুড অফিসার্স যমুনা জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ কোম্পানিতে ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিলের সুপারভাইজার মো. আক্তার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করলেও পুলিশ কেবল চাঁদাবাজির ধারায় তা রেকর্ড করেছে। আসামিদের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ম্যানেজারের মৃত্যুর বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা তো নেওয়া হয়নি, উল্টো ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করতে দিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।সরেজমিনে মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূঞাপুরের সারপলশিয়া এলাকায় ২০১৮ সালে উৎপাদনে আসা ‘ফুড অফিসার্স যমুনা জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামক জুট মিলের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মো.সাজিদুর রহমান ওরফে শাহজাহান (৫৫)। তিনি ওই উপজেলার ভারই গ্রামের সাবেক পোষ্টমাষ্টার মৃত হাসান আলীর ছেলে। বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় পাথাইলকান্দি গ্রামের আসলামের ছেলে ওয়ারেস (২৫), সারপলসিয়া গ্রামের বাছেদের ছেলে মো. শামীম (৩০) এবং পাথাইলকান্দি গ্রামের মৃত আ. হাই তালুকদারের ছেলে মো. লিখন(৩০) মিলের ম্যানেজারের নিকট বিভিন্ন সময়ে সরাসরি এবং মোবাইল ফোনে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হুমকি দিয়েআসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ আগস্ট (শনিবার) সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা তাদের দলবল নিয়ে মিলে ঢুকে ম্যানেজারেরসাথে চরম অসদাচরণ করে এবং ২৪ আগস্টের মধ্যে চাঁদা না দিলে ম্যানেজারকে হত্যা করে লাশ গুম করার

আরও  পড়ুন,  মহশেপুরে ক্যাশলেস জনসচেতনতা বৃদ্ধি মূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আল্টিমেটাম দেয়। সে সময় মিলের সুপারভাইজার আক্তার হোসেন, প্রোডাকশন ম্যানেজার মো. রমজান আলী,হিসাব রক্ষক মো. ইয়াসিন আরাফাতসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা তাদের চলে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা চলেযায়নি। ফলে চাঁদাবাজদের অব্যাহত হুমকিতে ম্যানেজার সাজিদুর রহমান চরম ভীতসন্তপ্ত ও আতঙ্কিত হয়েপড়েন।পরবর্তীতে গত ২৪ আগস্ট (সোমবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভিযুক্ত চাঁদাবাজরা মোটরসাইকেল যোগে পুনরায়মিলে ঢুকে ম্যানেজারকে খুঁজতে থাকে। এই খবর পেয়ে পূর্বের হুমকিতে আতঙ্কিত থাকা ম্যানেজার সাজিদুররহমান ওরফে শাহজাহান তীব্র মানসিক আঘাতে মিলের ভেতরেই স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেমৃত ঘোষণা করেন। ম্যানেজারের এই রহস্যজনক ও আকস্মিক মৃত্যুর পর পুলিশ কোনো ময়নাতদন্ত ছাড়াইমরদেহ দাফন করার অনুমতি দেয়।স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জানান, এলাকার বালু ব্যবসায়ীরা জায়গা ভাড়া নিয়ে ট্রাক যাতায়াতের রাস্তা তৈরিকরেছে। জুট মিলের ট্রাক ওই রাস্তা বিনাভাড়ায় ব্যবহার করে থাকে- সেই বিষয়েই ওয়ারেস, শামীম, লিখনসহকয়েকজন মিলে গিয়ে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছেন।মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের বেশিরভাগ মানুষ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, ময়নাতদন্ত না

আরও  পড়ুন, জমি বিরোধে কৃষকের বাড়িতে সশস্ত্র হামলা, ৪ লাখ টাকা-স্বর্ণালংকার ও গরু লুটের অভিযোগ

করিয়ে পুলিশ প্রকারান্তরে চাঁদাবাজদের আড়াল করার এবং মৃত্যুর ঘটনার দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।মিলের সহকারী প্রোডাকশন ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম ও ফেরদৌস ওয়াহিদ সহ সাধারণ শ্রমিকরা অভিযোগকরেন, ওয়ারেস, শামীম, লিখনদের সরাসরি হুমকির কারণেই ম্যানেজার স্ট্রোক করে মারা গেছেন। অথচ পুলিশমৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ও গুরুতর বিষয়টি পুরোপুরি এড়িয়ে গিয়ে কেবল চাঁদাবাজির সাধারণ ধারায় মামলাটিনথিভুক্ত করেছে।মামলার বাদী ও মিলের সুপারভাইজার আক্তার হোসেন জানান, ২০১৮ সালের আগে স্থাপিত জুট মিলটিতে প্রায়৫০০ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছে। এ পর্যন্ত কোনোপ্রকার কথা হয়নি। হঠাৎ করেই ওয়ারেস, শামীম, লিখন সহ ৫-৬ ব্যক্তি চাঁদা আদায়ে উঠে-পড়ে লাগে। ম্যানেজার চাঁদাবাজদের চাপ সহ্য করতে না পেরে আতঙ্কিত হয়ে মিলেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মামলার এজাহারে সে কথা উল্লেখ থাকার পরও পুলিশ সাধারণ চাঁদাবাজিরধারায় মামলা (নং- ২০, তাং-২৬/৮/২৬ইং, ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৮৫/৫০৬ পেনাল কোড) রেকর্ড করা করেছে।মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত হওয়া একজন মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও পুলিশ তা না করে মরদেহ দাফন করারঅনুমতি দিয়ে অন্যায় করেছে।নিকরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন মন্ডল জানান, জুটমিলের ম্যানেজার অসুস্থ ছিলেন এবং তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেন। ওখানে পাওনা টাকা নিয়েম্যানেজারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়েছে- চাঁদাবাজির কোনো বিষয় আছে বলে তিনি জানেন না।ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, জুট মিলের ঘটনায় চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্ট্রোক করে ম্যানেজারের মৃত্যু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে চাঁদাদাবিকারীদের সম্পৃক্ততা থাকলে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো জানান, যেহেতু স্ট্রোক করে ম্যানেজারের মৃত্যু হয়েছে, তাই পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত করতে দেয়নি। মরদেহ পারিবারিকভাবে ধর্মীয় রীতিতে দাফন করা হয়েছে।

বিষয় : অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার জুট মিল মৃত্যুর ঘটনা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ভূঞাপুরে চাঁদাবাজদের আতঙ্কে জুট মিল ম্যানেজারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড়

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চাঁদা না পেয়ে পাটকলের ম্যানেজারকে হুমকি দেওয়ার পর আতঙ্কে স্ট্রোকে আক্রান্তহয়ে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।গত সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর থানাধীন সারপলশিয়া মৌজায় অবস্থিত ‘ফুড অফিসার্স যমুনা জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ কোম্পানিতে ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিলের সুপারভাইজার মো. আক্তার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করলেও পুলিশ কেবল চাঁদাবাজির ধারায় তা রেকর্ড করেছে। আসামিদের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ম্যানেজারের মৃত্যুর বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা তো নেওয়া হয়নি, উল্টো ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করতে দিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।সরেজমিনে মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূঞাপুরের সারপলশিয়া এলাকায় ২০১৮ সালে উৎপাদনে আসা ‘ফুড অফিসার্স যমুনা জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামক জুট মিলের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মো.সাজিদুর রহমান ওরফে শাহজাহান (৫৫)। তিনি ওই উপজেলার ভারই গ্রামের সাবেক পোষ্টমাষ্টার মৃত হাসান আলীর ছেলে। বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় পাথাইলকান্দি গ্রামের আসলামের ছেলে ওয়ারেস (২৫), সারপলসিয়া গ্রামের বাছেদের ছেলে মো. শামীম (৩০) এবং পাথাইলকান্দি গ্রামের মৃত আ. হাই তালুকদারের ছেলে মো. লিখন(৩০) মিলের ম্যানেজারের নিকট বিভিন্ন সময়ে সরাসরি এবং মোবাইল ফোনে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হুমকি দিয়েআসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ আগস্ট (শনিবার) সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা তাদের দলবল নিয়ে মিলে ঢুকে ম্যানেজারেরসাথে চরম অসদাচরণ করে এবং ২৪ আগস্টের মধ্যে চাঁদা না দিলে ম্যানেজারকে হত্যা করে লাশ গুম করার

আরও  পড়ুন,  মহশেপুরে ক্যাশলেস জনসচেতনতা বৃদ্ধি মূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আল্টিমেটাম দেয়। সে সময় মিলের সুপারভাইজার আক্তার হোসেন, প্রোডাকশন ম্যানেজার মো. রমজান আলী,হিসাব রক্ষক মো. ইয়াসিন আরাফাতসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা তাদের চলে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা চলেযায়নি। ফলে চাঁদাবাজদের অব্যাহত হুমকিতে ম্যানেজার সাজিদুর রহমান চরম ভীতসন্তপ্ত ও আতঙ্কিত হয়েপড়েন।পরবর্তীতে গত ২৪ আগস্ট (সোমবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভিযুক্ত চাঁদাবাজরা মোটরসাইকেল যোগে পুনরায়মিলে ঢুকে ম্যানেজারকে খুঁজতে থাকে। এই খবর পেয়ে পূর্বের হুমকিতে আতঙ্কিত থাকা ম্যানেজার সাজিদুররহমান ওরফে শাহজাহান তীব্র মানসিক আঘাতে মিলের ভেতরেই স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেমৃত ঘোষণা করেন। ম্যানেজারের এই রহস্যজনক ও আকস্মিক মৃত্যুর পর পুলিশ কোনো ময়নাতদন্ত ছাড়াইমরদেহ দাফন করার অনুমতি দেয়।স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জানান, এলাকার বালু ব্যবসায়ীরা জায়গা ভাড়া নিয়ে ট্রাক যাতায়াতের রাস্তা তৈরিকরেছে। জুট মিলের ট্রাক ওই রাস্তা বিনাভাড়ায় ব্যবহার করে থাকে- সেই বিষয়েই ওয়ারেস, শামীম, লিখনসহকয়েকজন মিলে গিয়ে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছেন।মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের বেশিরভাগ মানুষ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, ময়নাতদন্ত না

আরও  পড়ুন, জমি বিরোধে কৃষকের বাড়িতে সশস্ত্র হামলা, ৪ লাখ টাকা-স্বর্ণালংকার ও গরু লুটের অভিযোগ

করিয়ে পুলিশ প্রকারান্তরে চাঁদাবাজদের আড়াল করার এবং মৃত্যুর ঘটনার দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।মিলের সহকারী প্রোডাকশন ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম ও ফেরদৌস ওয়াহিদ সহ সাধারণ শ্রমিকরা অভিযোগকরেন, ওয়ারেস, শামীম, লিখনদের সরাসরি হুমকির কারণেই ম্যানেজার স্ট্রোক করে মারা গেছেন। অথচ পুলিশমৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ও গুরুতর বিষয়টি পুরোপুরি এড়িয়ে গিয়ে কেবল চাঁদাবাজির সাধারণ ধারায় মামলাটিনথিভুক্ত করেছে।মামলার বাদী ও মিলের সুপারভাইজার আক্তার হোসেন জানান, ২০১৮ সালের আগে স্থাপিত জুট মিলটিতে প্রায়৫০০ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছে। এ পর্যন্ত কোনোপ্রকার কথা হয়নি। হঠাৎ করেই ওয়ারেস, শামীম, লিখন সহ ৫-৬ ব্যক্তি চাঁদা আদায়ে উঠে-পড়ে লাগে। ম্যানেজার চাঁদাবাজদের চাপ সহ্য করতে না পেরে আতঙ্কিত হয়ে মিলেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মামলার এজাহারে সে কথা উল্লেখ থাকার পরও পুলিশ সাধারণ চাঁদাবাজিরধারায় মামলা (নং- ২০, তাং-২৬/৮/২৬ইং, ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৮৫/৫০৬ পেনাল কোড) রেকর্ড করা করেছে।মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত হওয়া একজন মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও পুলিশ তা না করে মরদেহ দাফন করারঅনুমতি দিয়ে অন্যায় করেছে।নিকরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন মন্ডল জানান, জুটমিলের ম্যানেজার অসুস্থ ছিলেন এবং তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেন। ওখানে পাওনা টাকা নিয়েম্যানেজারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়েছে- চাঁদাবাজির কোনো বিষয় আছে বলে তিনি জানেন না।ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, জুট মিলের ঘটনায় চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্ট্রোক করে ম্যানেজারের মৃত্যু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে চাঁদাদাবিকারীদের সম্পৃক্ততা থাকলে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো জানান, যেহেতু স্ট্রোক করে ম্যানেজারের মৃত্যু হয়েছে, তাই পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত করতে দেয়নি। মরদেহ পারিবারিকভাবে ধর্মীয় রীতিতে দাফন করা হয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত