ভারত যদি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদীর খুনিসহ অন্যান্য পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ও সঠিক মনোভাব প্রদর্শন করে, তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবশ্যই ভারত সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।আজ শনিবার সকালে ঝিনাইদহে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে রাশেদ খাঁন বলেন, "বাংলাদেশের সাথে ভারত যদি কাঙ্ক্ষিত ও টেকসই ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, তবে তাদের এ দেশের জনগণের সার্বিক স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।"
আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাব, ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা
তিনি জোর দিয়ে বলেন, দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েন কমাতে এবং সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ভারতকে অনতিবিলম্বে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা এবং অবৈধ ‘পুশইন’ বন্ধ করতে হবে।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেভাবে চায় এবং দেশের সার্বিক স্বার্থ যেভাবে সুরক্ষিত হয়, বর্তমান সরকার ঠিক সেভাবেই ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনা করবে। কোনো একক পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার দিন শেষ; সমান মর্যাদা ও জনগণের প্রত্যাশাই হবে সম্পর্কের মূল ভিত্তি।অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
ভারত যদি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদীর খুনিসহ অন্যান্য পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ও সঠিক মনোভাব প্রদর্শন করে, তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবশ্যই ভারত সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।আজ শনিবার সকালে ঝিনাইদহে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে রাশেদ খাঁন বলেন, "বাংলাদেশের সাথে ভারত যদি কাঙ্ক্ষিত ও টেকসই ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, তবে তাদের এ দেশের জনগণের সার্বিক স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।"
আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাব, ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা
তিনি জোর দিয়ে বলেন, দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েন কমাতে এবং সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ভারতকে অনতিবিলম্বে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা এবং অবৈধ ‘পুশইন’ বন্ধ করতে হবে।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেভাবে চায় এবং দেশের সার্বিক স্বার্থ যেভাবে সুরক্ষিত হয়, বর্তমান সরকার ঠিক সেভাবেই ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনা করবে। কোনো একক পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার দিন শেষ; সমান মর্যাদা ও জনগণের প্রত্যাশাই হবে সম্পর্কের মূল ভিত্তি।অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন