গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিএমপি বাসন থানার একটি চৌকস দল বাসন থানাধীন বাইরাগালী এলাকা থেকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মজিবুর রহমান ওরফে মজিবুর কন্ট্রাক্টর (৫২)-কে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত আসামি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন বাইরাগালী (উত্তর পাড়া) এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত শামসুদ্দিনের পুত্র এবং জনিলা খাতুনের সন্তান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আরও পড়ুন, পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের উদ্যোগে সাবেক ও কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা
পুলিশ আরও জানায়, বাসন থানায় দায়েরকৃত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।গ্রেফতারের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।গাজীপুর মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিএমপি বাসন থানার একটি চৌকস দল বাসন থানাধীন বাইরাগালী এলাকা থেকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মজিবুর রহমান ওরফে মজিবুর কন্ট্রাক্টর (৫২)-কে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত আসামি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন বাইরাগালী (উত্তর পাড়া) এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত শামসুদ্দিনের পুত্র এবং জনিলা খাতুনের সন্তান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আরও পড়ুন, পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের উদ্যোগে সাবেক ও কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা
পুলিশ আরও জানায়, বাসন থানায় দায়েরকৃত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।গ্রেফতারের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।গাজীপুর মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন