দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

মিঠাপুকুরে জমি দখল ও ভুয়া রেকর্ড তৈরির অভিযোগে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে আবেদন

মিঠাপুকুরে জমি দখল ও ভুয়া রেকর্ড তৈরির অভিযোগে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে আবেদন
জমি দখল ও ভুয়া রেকর্ড তৈরির অভিযোগে

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পশ্চিমপাড়া মাঝিপাড়ায় পৈতৃক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল এবং জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরোবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হরিহরপুর মৌজার ৪১৯০ নং দাগের ১২ শতক এবং ৪১৬০ নং দাগের ৮ শতক জমির মূল মালিক ছিলেন জামাল উদ্দীন। পরবর্তীতে বিভিন্ন হস্তান্তর, ক্রয় ও ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত জমির মালিক হন তোতা মিয়া ও তাঁর পরিবার। তবে বিআরএস/আর.এস রেকর্ডে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিপক্ষ জমি নিজেদের নামে অন্তর্ভূক্ত করে নেয় এবং তা দখলের চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৩ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

​এদিকে, মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। সরজমিনে গিয়ে কথা বললে স্থানীয় বাসিন্দা মোকলেছার রহমান, সাহাদুল মিয়া ও মোছা: হাফিজা খাতুন নিশ্চিত করেন যে, দায়িত্বে থাকা তহসিলদার নুরুজ্জামান সরেজমিনে বিতর্কিত জমিতে যাননি। তিনি রাস্তা থেকেই ফেরত চলে যান এবং জমিতে পা না দিয়েই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।​তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে মিঠাপুকুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিক জামান বলেন, "যেহেতু তদন্ত প্রতিবেদন ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে, তাই আদালত আদেশ করলে আমরা পুর্নতদন্ত করতে পারবো।"​তহসিলদারের এমন অপূর্ণাঙ্গ তদন্তে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে জমিটির নিরপেক্ষ পুনর্ তদন্ত ও সঠিক প্রতিকারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

বিষয় : কার্যালয় ভুয়া রেকর্ড ক্রয়কৃত সম্পত্তি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


মিঠাপুকুরে জমি দখল ও ভুয়া রেকর্ড তৈরির অভিযোগে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পশ্চিমপাড়া মাঝিপাড়ায় পৈতৃক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল এবং জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরোবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হরিহরপুর মৌজার ৪১৯০ নং দাগের ১২ শতক এবং ৪১৬০ নং দাগের ৮ শতক জমির মূল মালিক ছিলেন জামাল উদ্দীন। পরবর্তীতে বিভিন্ন হস্তান্তর, ক্রয় ও ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত জমির মালিক হন তোতা মিয়া ও তাঁর পরিবার। তবে বিআরএস/আর.এস রেকর্ডে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিপক্ষ জমি নিজেদের নামে অন্তর্ভূক্ত করে নেয় এবং তা দখলের চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৩ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

​এদিকে, মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। সরজমিনে গিয়ে কথা বললে স্থানীয় বাসিন্দা মোকলেছার রহমান, সাহাদুল মিয়া ও মোছা: হাফিজা খাতুন নিশ্চিত করেন যে, দায়িত্বে থাকা তহসিলদার নুরুজ্জামান সরেজমিনে বিতর্কিত জমিতে যাননি। তিনি রাস্তা থেকেই ফেরত চলে যান এবং জমিতে পা না দিয়েই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।​তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে মিঠাপুকুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিক জামান বলেন, "যেহেতু তদন্ত প্রতিবেদন ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে, তাই আদালত আদেশ করলে আমরা পুর্নতদন্ত করতে পারবো।"​তহসিলদারের এমন অপূর্ণাঙ্গ তদন্তে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে জমিটির নিরপেক্ষ পুনর্ তদন্ত ও সঠিক প্রতিকারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত