রাজশাহীর বাঘায় এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় থাকার অভিযোগে খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।একই ঘটনায় ওই নারী কর্মচারীকেও আটক করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।শুক্রবার বিকেলে বাঘা পৌরসভার গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের আটক করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিদ্যালয়ের এক নারী কর্মচারীর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। শুক্রবার বিদ্যালয়ের অফিসের কাজের কথা বলে ওই নারী কর্মচারীকে গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান প্রধান শিক্ষক।
আরও পড়ুন, ইয়াবার ‘হটস্পট’ মাদারবাড়ির এসআরবি স্টেশন নেপথ্যে জসিম-ঝুমকা বাদল সিন্ডিকেট
বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক জানিয়েছেন, এর আগেও বিদ্যালয়ে বসে তাদের কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এরপরও তারা একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিও ঘটনাটি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানোর কথা জানিয়েছেন।বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেরাজুল হক বলেন, আটক দুইজনকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহীর বাঘায় এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় থাকার অভিযোগে খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।একই ঘটনায় ওই নারী কর্মচারীকেও আটক করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।শুক্রবার বিকেলে বাঘা পৌরসভার গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের আটক করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিদ্যালয়ের এক নারী কর্মচারীর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। শুক্রবার বিদ্যালয়ের অফিসের কাজের কথা বলে ওই নারী কর্মচারীকে গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান প্রধান শিক্ষক।
আরও পড়ুন, ইয়াবার ‘হটস্পট’ মাদারবাড়ির এসআরবি স্টেশন নেপথ্যে জসিম-ঝুমকা বাদল সিন্ডিকেট
বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক জানিয়েছেন, এর আগেও বিদ্যালয়ে বসে তাদের কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এরপরও তারা একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিও ঘটনাটি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানোর কথা জানিয়েছেন।বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেরাজুল হক বলেন, আটক দুইজনকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন