পাবনার ঈশ্বরদীতে চাচার যৌন লালসার শিকার হয়েছেন প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৩)। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৯ টায় উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীর বয়স ১৩ বছর। সে মুলাডুলি ফার্মপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের মেয়ে। বর্তমানে তারা বেতবাড়ীয়া গ্রামে তাদের নানা বাড়ীতে থাকেন।অভিযুক্ত মো: এসকেন হোসেন (৭০) ঐ এলাকার মৃত আয়জদ্দির ছেলে। প্রতিবন্ধী কিশোরী সম্পর্কে ধর্ষকের ভাজতী (ভাইয়ের মেয়ে)।প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী হওয়ায় মোবাইল দেখার অজুহাতে বাড়িতেই আটকে রাখত পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ঘটনার দিন সকালে হঠাৎ মোবাইলের ডাটা ফুড়িয়ে গেলে সে সকলের অগোচরে বাড়ির বাহিরে বের হয়। সে সময় ধর্ষক তাকে টেনে বাড়ির পার্শ্বের মৃত হাবিবের নির্মানাধীন পাকা বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। সে সময় বিবস্ত্র অবস্থায় তাদের দেখে প্রতিবেশীদের ডাকেন রেখা খাতুন।
আরও পড়ুন, লামার সরইয়ে বালু লুটের মহোৎসব, শতাধিক পয়েন্টে চলছে অবৈধ উত্তোলন
তার ডাকে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে ধর্ষক এসকেন কে হাতেনাতে বিবস্ত্র অবস্থায় ধরে ফেলেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় এসকেন পালিয়ে যায়।ধর্ষিতার মামা আরাফাত রহমান বলেন, আমি সকালে কলেজ বের হয়েছিলাম। রাস্তার মধ্য থেকে ফোন পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসি। তবে বাড়িতে আসার আগেই ধর্ষককে স্থানীয়রা পালিয়ে যেতে সহযোগীতা করেছে। আমরা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসী জানান, এসকেন সিরিয়াল ধর্ষক। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ধর্ষনের ঘটনা রয়েছে। গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা জরিমানাও দিয়েছেন এই ধর্ষক। তার সঠিক বিচার দাবি করেন সচেতন এলাকাবাসী।ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী ধর্ষনের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তির পর তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিষয় : ধর্ষণ প্রতিবন্ধী কিশোরী চাচা

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে চাচার যৌন লালসার শিকার হয়েছেন প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৩)। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৯ টায় উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীর বয়স ১৩ বছর। সে মুলাডুলি ফার্মপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের মেয়ে। বর্তমানে তারা বেতবাড়ীয়া গ্রামে তাদের নানা বাড়ীতে থাকেন।অভিযুক্ত মো: এসকেন হোসেন (৭০) ঐ এলাকার মৃত আয়জদ্দির ছেলে। প্রতিবন্ধী কিশোরী সম্পর্কে ধর্ষকের ভাজতী (ভাইয়ের মেয়ে)।প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী হওয়ায় মোবাইল দেখার অজুহাতে বাড়িতেই আটকে রাখত পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ঘটনার দিন সকালে হঠাৎ মোবাইলের ডাটা ফুড়িয়ে গেলে সে সকলের অগোচরে বাড়ির বাহিরে বের হয়। সে সময় ধর্ষক তাকে টেনে বাড়ির পার্শ্বের মৃত হাবিবের নির্মানাধীন পাকা বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। সে সময় বিবস্ত্র অবস্থায় তাদের দেখে প্রতিবেশীদের ডাকেন রেখা খাতুন।
আরও পড়ুন, লামার সরইয়ে বালু লুটের মহোৎসব, শতাধিক পয়েন্টে চলছে অবৈধ উত্তোলন
তার ডাকে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে ধর্ষক এসকেন কে হাতেনাতে বিবস্ত্র অবস্থায় ধরে ফেলেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় এসকেন পালিয়ে যায়।ধর্ষিতার মামা আরাফাত রহমান বলেন, আমি সকালে কলেজ বের হয়েছিলাম। রাস্তার মধ্য থেকে ফোন পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসি। তবে বাড়িতে আসার আগেই ধর্ষককে স্থানীয়রা পালিয়ে যেতে সহযোগীতা করেছে। আমরা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসী জানান, এসকেন সিরিয়াল ধর্ষক। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ধর্ষনের ঘটনা রয়েছে। গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা জরিমানাও দিয়েছেন এই ধর্ষক। তার সঠিক বিচার দাবি করেন সচেতন এলাকাবাসী।ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী ধর্ষনের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তির পর তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন