গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। তবুও মিলছে না চাহিদামতো জ্বালানি। রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এখন এমন চিত্রই নিত্যদিনের।মঙ্গলবার দুপুরে শাহবাগ, মালিবাগ ও মগবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনে দেখা গেছে দীর্ঘ যানজটের মতো লাইন। ভোর থেকে অপেক্ষা করেও অনেক চালক স্বল্পচাপে সামান্য গ্যাস নিয়ে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।চালকদের অভিযোগ, অনেক স্টেশনে ভোর ৫টা থেকে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর গ্যাসের চাপ কমে গেলে পাম্প কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে দিনের বড় একটি সময় চলে যাচ্ছে শুধু লাইনে দাঁড়িয়েই।মালিবাগে প্রায় ছয় ঘণ্টা অপেক্ষার পর ২১৫ টাকার গ্যাস পেয়েছেন নাসির উদ্দিন। তার মতো অনেক চালকের অভিযোগ, গ্যাস সংকটের কারণে আয় কমে গেছে, কিন্তু দৈনিক খরচ কমেনি।
আরও পড়ুন, রাজধানীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৮
শাহবাগে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজি চালক আব্দুর রাজ্জাক জানান, গ্যাস না পেলে তাদের আয়ও বন্ধ হয়ে যায়।অন্যদিকে মগবাজারের চালক মাজহার বলেন, প্রতিদিন গাড়ির জমা, গ্যাস ও অন্যান্য খরচ মিলে প্রায় আড়াই হাজার টাকা প্রয়োজন। কিন্তু পাঁচ-ছয় ঘণ্টা অপেক্ষার পরও ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।শুধু সিএনজি অটোরিকশা নয়, ব্যক্তিগত গাড়ি, অফিসের গাড়ি এবং রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়িচালকরাও একই সংকটে পড়েছেন।চালকদের দাবি, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না হলে তাদের আয়-রোজগার আরও কমে যাবে এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থায় এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
বিষয় : গ্যাস চরম ভোগান্তি সিএনজি সংকট

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। তবুও মিলছে না চাহিদামতো জ্বালানি। রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এখন এমন চিত্রই নিত্যদিনের।মঙ্গলবার দুপুরে শাহবাগ, মালিবাগ ও মগবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনে দেখা গেছে দীর্ঘ যানজটের মতো লাইন। ভোর থেকে অপেক্ষা করেও অনেক চালক স্বল্পচাপে সামান্য গ্যাস নিয়ে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।চালকদের অভিযোগ, অনেক স্টেশনে ভোর ৫টা থেকে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর গ্যাসের চাপ কমে গেলে পাম্প কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে দিনের বড় একটি সময় চলে যাচ্ছে শুধু লাইনে দাঁড়িয়েই।মালিবাগে প্রায় ছয় ঘণ্টা অপেক্ষার পর ২১৫ টাকার গ্যাস পেয়েছেন নাসির উদ্দিন। তার মতো অনেক চালকের অভিযোগ, গ্যাস সংকটের কারণে আয় কমে গেছে, কিন্তু দৈনিক খরচ কমেনি।
আরও পড়ুন, রাজধানীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৮
শাহবাগে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজি চালক আব্দুর রাজ্জাক জানান, গ্যাস না পেলে তাদের আয়ও বন্ধ হয়ে যায়।অন্যদিকে মগবাজারের চালক মাজহার বলেন, প্রতিদিন গাড়ির জমা, গ্যাস ও অন্যান্য খরচ মিলে প্রায় আড়াই হাজার টাকা প্রয়োজন। কিন্তু পাঁচ-ছয় ঘণ্টা অপেক্ষার পরও ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।শুধু সিএনজি অটোরিকশা নয়, ব্যক্তিগত গাড়ি, অফিসের গাড়ি এবং রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়িচালকরাও একই সংকটে পড়েছেন।চালকদের দাবি, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না হলে তাদের আয়-রোজগার আরও কমে যাবে এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থায় এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন