২০২৭ সালের হজ মৌসুম শুরু হতে এখনো অনেক সময় বাকি। তবে হজযাত্রীদের সেবা নির্বিঘ্ন করতে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব।এর অংশ হিসেবে বিশ্বের ৭৫টির বেশি দেশের হজবিষয়ক কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় সভা শুরু করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব সভায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর হজ কার্যক্রমের পরিকল্পনা পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় বিধিবিধান ও নির্দেশনা এবং দেশভিত্তিক চাহিদা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।আগাম এই সমন্বয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক হজ মিশনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা,
আরও পড়ুন, দুই দিনের সরকারি সফরে কাতারের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানো এবং হজযাত্রীদের সেবার মান উন্নত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বলছে, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানো থেকে শুরু করে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে দেশটির নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা কাজে লাগানো হচ্ছে।এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’-এর ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নেও ভূমিকা রাখবে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হজ মিশনের সঙ্গে আগে থেকেই সমন্বয় করা হলে বিপুলসংখ্যক হজযাত্রীর যাতায়াত, আবাসন ও অন্যান্য সেবা আরও সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
বিষয় : কার্যালয় হজযাত্রী প্রস্তুতি শুরু কার্যালয়

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
২০২৭ সালের হজ মৌসুম শুরু হতে এখনো অনেক সময় বাকি। তবে হজযাত্রীদের সেবা নির্বিঘ্ন করতে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব।এর অংশ হিসেবে বিশ্বের ৭৫টির বেশি দেশের হজবিষয়ক কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় সভা শুরু করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব সভায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর হজ কার্যক্রমের পরিকল্পনা পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় বিধিবিধান ও নির্দেশনা এবং দেশভিত্তিক চাহিদা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।আগাম এই সমন্বয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক হজ মিশনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা,
আরও পড়ুন, দুই দিনের সরকারি সফরে কাতারের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানো এবং হজযাত্রীদের সেবার মান উন্নত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বলছে, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানো থেকে শুরু করে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে দেশটির নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা কাজে লাগানো হচ্ছে।এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’-এর ‘পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নেও ভূমিকা রাখবে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হজ মিশনের সঙ্গে আগে থেকেই সমন্বয় করা হলে বিপুলসংখ্যক হজযাত্রীর যাতায়াত, আবাসন ও অন্যান্য সেবা আরও সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন