শ্রীপুরে শিল্পকারখানার বর্জ্যে লবলঙ্গ নদী দূষিত হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির সৌন্দর্য। একসময় যে নদীতে মানুষ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন, গোসল করতেন এবং কৃষিকাজে পানি ব্যবহার করতেন—আজ সেই নদীর পানিতে বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ, দুর্বিষহ হয়ে উঠছে আশপাশের মানুষের জীবনযাপন।স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন শিল্পকারখানা থেকে নির্গত অপরিশোধিত ও পচা পানি নদী ও আশপাশের জলাশয়ে পড়ায় পানির স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি অপরিকল্পিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে কৃষিজমিতেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এতে কৃষকের হাজার হাজার একর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হলে ভবিষ্যতে খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
আরও পড়ুন, ‘রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ’ গাংনীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন
অভিযোগ রয়েছে, নদীর জায়গা দখল করে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও স্থাপনা গড়ে ওঠায় লবলঙ্গ নদীর স্বাভাবিক গতিপথও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।পরিবেশ রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, লবলঙ্গ নদীকে দখলমুক্ত করে তার স্বাভাবিক গতিপথ ফিরিয়ে দেওয়া, শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করে নদীতে নিষ্কাশন নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।শ্রীপুরকে জলাবদ্ধতা, দূষণ ও অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কবল থেকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, শিল্পমালিক, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
বিষয় : জনজীবন বিপর্যস্ত কৃষি

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
শ্রীপুরে শিল্পকারখানার বর্জ্যে লবলঙ্গ নদী দূষিত হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির সৌন্দর্য। একসময় যে নদীতে মানুষ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন, গোসল করতেন এবং কৃষিকাজে পানি ব্যবহার করতেন—আজ সেই নদীর পানিতে বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ, দুর্বিষহ হয়ে উঠছে আশপাশের মানুষের জীবনযাপন।স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন শিল্পকারখানা থেকে নির্গত অপরিশোধিত ও পচা পানি নদী ও আশপাশের জলাশয়ে পড়ায় পানির স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি অপরিকল্পিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে কৃষিজমিতেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এতে কৃষকের হাজার হাজার একর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হলে ভবিষ্যতে খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
আরও পড়ুন, ‘রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ’ গাংনীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন
অভিযোগ রয়েছে, নদীর জায়গা দখল করে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও স্থাপনা গড়ে ওঠায় লবলঙ্গ নদীর স্বাভাবিক গতিপথও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।পরিবেশ রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, লবলঙ্গ নদীকে দখলমুক্ত করে তার স্বাভাবিক গতিপথ ফিরিয়ে দেওয়া, শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করে নদীতে নিষ্কাশন নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।শ্রীপুরকে জলাবদ্ধতা, দূষণ ও অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কবল থেকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, শিল্পমালিক, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন