প্রায় এক বছর পর টেস্ট দলে ফিরে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছেন পাকিস্তানের ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পোর্ট অব স্পেন টেস্টে অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংস খেলে তিনি গড়েছেন ৪৯ বছরের পুরোনো এক রেকর্ড।সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৩৮৭ রানে অলআউট হলেও অপরাজিত থাকেন আব্দুল্লাহ শফিক। ৩২৩ বলের ম্যারাথন ইনিংসে ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৬০ রান করেন এই ডানহাতি ওপেনার।এই ইনিংসের মাধ্যমে ১৯৭৭ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ১৫০ বা তার বেশি রানের ইনিংস খেলা প্রথম পাকিস্তানি ব্যাটার হলেন শফিক। প্রায় পাঁচ দশক আগে জর্জটাউনে ১৬৭ রান করেছিলেন মাজিদ খান।
আরও পড়ুন,২০২৬ ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে রদ্রি শীর্ষে, তালিকায় মেসি-এমবাপ্পে-ইয়ামাল
শফিকের ইনিংসে ভর করে বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৩৪৪ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১০৩ রান। ফলে এখনও ৬০ রানে পিছিয়ে রয়েছে ক্যারিবীয়রা।পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণও ছিল কার্যকর। সাজিদ খান নেন ৪ উইকেট, আর আলি উসমান শিকার করেন ২ উইকেট।প্রথম টেস্টে হারের পর সিরিজে সমতা ফেরাতে পাকিস্তানের সামনে বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। আর সেই সম্ভাবনার কেন্দ্রে রয়েছেন আব্দুল্লাহ শফিক

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রায় এক বছর পর টেস্ট দলে ফিরে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছেন পাকিস্তানের ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পোর্ট অব স্পেন টেস্টে অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংস খেলে তিনি গড়েছেন ৪৯ বছরের পুরোনো এক রেকর্ড।সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৩৮৭ রানে অলআউট হলেও অপরাজিত থাকেন আব্দুল্লাহ শফিক। ৩২৩ বলের ম্যারাথন ইনিংসে ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৬০ রান করেন এই ডানহাতি ওপেনার।এই ইনিংসের মাধ্যমে ১৯৭৭ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ১৫০ বা তার বেশি রানের ইনিংস খেলা প্রথম পাকিস্তানি ব্যাটার হলেন শফিক। প্রায় পাঁচ দশক আগে জর্জটাউনে ১৬৭ রান করেছিলেন মাজিদ খান।
আরও পড়ুন,২০২৬ ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে রদ্রি শীর্ষে, তালিকায় মেসি-এমবাপ্পে-ইয়ামাল
শফিকের ইনিংসে ভর করে বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৩৪৪ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১০৩ রান। ফলে এখনও ৬০ রানে পিছিয়ে রয়েছে ক্যারিবীয়রা।পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণও ছিল কার্যকর। সাজিদ খান নেন ৪ উইকেট, আর আলি উসমান শিকার করেন ২ উইকেট।প্রথম টেস্টে হারের পর সিরিজে সমতা ফেরাতে পাকিস্তানের সামনে বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। আর সেই সম্ভাবনার কেন্দ্রে রয়েছেন আব্দুল্লাহ শফিক

আপনার মতামত লিখুন