সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে আদিবাসী নারীরা পুরুষের সঙ্গে সমানতালে কৃষিকাজ করছেন। কিন্তু সমান শ্রম দিলেও তারা পাচ্ছেন না সমান মজুরি।ওঁরাও, মাহাতো, সাঁওতাল, মুড়ারি, রবিদাসসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীরা ঘরের কাজ, সন্তান লালন-পালনের পাশাপাশি মাঠে নেমে কৃষিকাজ ও দিনমজুরিতে অংশ নিচ্ছেন।উল্লাপাড়ার প্রতাপ গ্রামের একদল নারী বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ করছেন। প্রতি বিঘা জমিতে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা চুক্তিতে কাজ করে একজন শ্রমিক দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় করেন।
আরও পড়ুন, সুনামগঞ্জের হাওরে মর্মান্তিক নৌকাডুবি, শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
শ্রমিক সুনীতি মাহাতো, মায়া রাণী মাহাতো ও সুরভী মাহাতো বলেন, তারা পুরুষদের মতোই কঠোর পরিশ্রম করেন। তবু অনেক ক্ষেত্রে তাদের মজুরি কম দেওয়া হয়।কৃষক আয়নাল হক বলেন, আদিবাসী নারী শ্রমিকরা কৃষিকাজে দক্ষ ও আন্তরিক। তবে মজুরি বৈষম্য দীর্ঘদিনের প্রচলিত বাস্তবতা।জেলা আদিবাসী বহুমুখী উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি নির্মল কুমার মাহাতো বলেন, সমান কাজ করেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকরা ১০০ টাকা পর্যন্ত কম মজুরি পান।জীবিকার তাগিদে কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হওয়া এসব নারীর দাবি—সমান শ্রমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।
বিষয় : আদিবাসী নারী পরিশ্রম নারীরা পুরুষ

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে আদিবাসী নারীরা পুরুষের সঙ্গে সমানতালে কৃষিকাজ করছেন। কিন্তু সমান শ্রম দিলেও তারা পাচ্ছেন না সমান মজুরি।ওঁরাও, মাহাতো, সাঁওতাল, মুড়ারি, রবিদাসসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীরা ঘরের কাজ, সন্তান লালন-পালনের পাশাপাশি মাঠে নেমে কৃষিকাজ ও দিনমজুরিতে অংশ নিচ্ছেন।উল্লাপাড়ার প্রতাপ গ্রামের একদল নারী বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ করছেন। প্রতি বিঘা জমিতে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা চুক্তিতে কাজ করে একজন শ্রমিক দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় করেন।
আরও পড়ুন, সুনামগঞ্জের হাওরে মর্মান্তিক নৌকাডুবি, শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
শ্রমিক সুনীতি মাহাতো, মায়া রাণী মাহাতো ও সুরভী মাহাতো বলেন, তারা পুরুষদের মতোই কঠোর পরিশ্রম করেন। তবু অনেক ক্ষেত্রে তাদের মজুরি কম দেওয়া হয়।কৃষক আয়নাল হক বলেন, আদিবাসী নারী শ্রমিকরা কৃষিকাজে দক্ষ ও আন্তরিক। তবে মজুরি বৈষম্য দীর্ঘদিনের প্রচলিত বাস্তবতা।জেলা আদিবাসী বহুমুখী উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি নির্মল কুমার মাহাতো বলেন, সমান কাজ করেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকরা ১০০ টাকা পর্যন্ত কম মজুরি পান।জীবিকার তাগিদে কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হওয়া এসব নারীর দাবি—সমান শ্রমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন