নরসিংদীর মনোহরদীতে জমির সীমানা ও একটি নারিকেল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মিজান মিয়া নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, চাচা-ভাতিজার মধ্যে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।শনিবার দুপুরে উপজেলার বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ছিলেন।স্বজনদের অভিযোগ, বাড়ির পাশের রাস্তা ও জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিসও হয়। শনিবার একটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে চুরি হওয়া জাল ফেরৎ চাওয়ায় কুপিয়ে জখম, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
আহত মিজান মিয়াকে দ্রুত মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর জানা যাবে।পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : সংঘর্ষ স্বেচ্ছাসেবক দল চাচা-ভাতিজা

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
নরসিংদীর মনোহরদীতে জমির সীমানা ও একটি নারিকেল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মিজান মিয়া নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, চাচা-ভাতিজার মধ্যে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।শনিবার দুপুরে উপজেলার বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ছিলেন।স্বজনদের অভিযোগ, বাড়ির পাশের রাস্তা ও জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিসও হয়। শনিবার একটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে চুরি হওয়া জাল ফেরৎ চাওয়ায় কুপিয়ে জখম, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
আহত মিজান মিয়াকে দ্রুত মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর জানা যাবে।পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন