আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ঝিনাইদহে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি হওয়া অধিকাংশ অধ্যাদেশ বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।তিনি জানান, আইন সংস্কার কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এর প্রায় সবগুলোই বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে এবং জুলাই সনদের আলোকে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
আইনমন্ত্রী বলেন, আইনি সংস্কারের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং জনসেবাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।একই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের পর্যটন খাতকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।তার মতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন গতি আসবে এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন সংস্কার ও পর্যটন উন্নয়নের এই দুই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে প্রশাসনিক দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বিষয় : বাস্তবায়ন নতুন অগ্রগতি আইন সংস্কার

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ঝিনাইদহে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি হওয়া অধিকাংশ অধ্যাদেশ বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।তিনি জানান, আইন সংস্কার কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এর প্রায় সবগুলোই বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে এবং জুলাই সনদের আলোকে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
আইনমন্ত্রী বলেন, আইনি সংস্কারের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং জনসেবাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।একই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের পর্যটন খাতকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।তার মতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন গতি আসবে এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন সংস্কার ও পর্যটন উন্নয়নের এই দুই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে প্রশাসনিক দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন