সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বর্ষা মানেই যেন শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দুর্ভোগ। হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে ২১৮ কোমলমতি শিশুকে। বছরের পর বছর একই চিত্র থাকলেও মিলছে না স্থায়ী সমাধান। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...এ যেন প্রতিদিনের এক কঠিন পরীক্ষা। কাঁধে স্কুলব্যাগ, হাতে জুতা—হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা।সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া চড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১৮ শিক্ষার্থীর জন্য বর্ষাকাল মানেই এমন দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তা ও মাঠ পানিতে তলিয়ে যায়।বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর আগেই অনেক শিক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যায়, বই-খাতা নষ্ট হয়, কাদায় মাখামাখি হয়ে ক্লাসে বসতে হয় তাদের।
আরও পড়ুন, থানচিতে নৌকাডুবে, পর্যটক নিখোঁজ
অভিভাবকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই সমস্যা থাকলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে একদিকে যেমন শিশুদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে, অন্যদিকে বাড়ছে পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেন জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল দপ্তরকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সমাধানের আশা করছেন তিনি।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের যাতায়াত সমস্যাটি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে।
বিষয় : শিক্ষার্থী নিহত দুর্ভোগ হাঁটুসমান পানি

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বর্ষা মানেই যেন শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দুর্ভোগ। হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে ২১৮ কোমলমতি শিশুকে। বছরের পর বছর একই চিত্র থাকলেও মিলছে না স্থায়ী সমাধান। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...এ যেন প্রতিদিনের এক কঠিন পরীক্ষা। কাঁধে স্কুলব্যাগ, হাতে জুতা—হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা।সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া চড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১৮ শিক্ষার্থীর জন্য বর্ষাকাল মানেই এমন দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তা ও মাঠ পানিতে তলিয়ে যায়।বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর আগেই অনেক শিক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যায়, বই-খাতা নষ্ট হয়, কাদায় মাখামাখি হয়ে ক্লাসে বসতে হয় তাদের।
আরও পড়ুন, থানচিতে নৌকাডুবে, পর্যটক নিখোঁজ
অভিভাবকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই সমস্যা থাকলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে একদিকে যেমন শিশুদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে, অন্যদিকে বাড়ছে পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেন জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল দপ্তরকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সমাধানের আশা করছেন তিনি।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের যাতায়াত সমস্যাটি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন