দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে করতোয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরসহ শতাধিক বসতবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। টানা বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর নাপিতপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, করতোয়া নদীর ভাঙন আশ্রয়ণ প্রকল্পের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। নদীতীরে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও মানুষের জীবিকার উৎস।আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা গোলাপি বেগম বলেন, অনেক কষ্টে পাওয়া সরকারি ঘর হারানোর আতঙ্কে তারা রাতেও ঘুমাতে পারছেন না। নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান তিনি।
আরও পড়ুন, বিশ্বকাপ ঘিরে সংঘর্ষ: ফতুল্লায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, বিস্ফোরণ, আহত ৮
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশাপাশি শতাধিক বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও গ্রামীণ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিন জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে করতোয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরসহ শতাধিক বসতবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। টানা বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর নাপিতপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, করতোয়া নদীর ভাঙন আশ্রয়ণ প্রকল্পের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। নদীতীরে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও মানুষের জীবিকার উৎস।আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা গোলাপি বেগম বলেন, অনেক কষ্টে পাওয়া সরকারি ঘর হারানোর আতঙ্কে তারা রাতেও ঘুমাতে পারছেন না। নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান তিনি।
আরও পড়ুন, বিশ্বকাপ ঘিরে সংঘর্ষ: ফতুল্লায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, বিস্ফোরণ, আহত ৮
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশাপাশি শতাধিক বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও গ্রামীণ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিন জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন