সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ একটি বাড়ির আলমারির ড্রয়ার থেকে উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।সোমবার উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত শিশু ফারজানা ইয়াসমিন, স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত হিসেবে নিহত হয়েছেন একই এলাকার বাসিন্দা সুরাইয়া আক্তার।স্থানীয়দের অভিযোগ, সকালে স্কুল থেকে শিশুটিকে ডেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শিশুটি নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
আরও পড়ুন, সরাইলে জমির দলিল নিয়ে বিরোধ, ১৮ বছরের বসতভিটা ছাড়ার শঙ্কায় পরিবার
বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্ত নারীকে শিশুটিকে স্কুল থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।পরে অভিযুক্তের বাড়ির আলমারির ড্রয়ার থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত নারীকে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত করা হবে।
বিষয় : গণপিটুনি শিশুর মরদ অভিযুক্ত নারী

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ একটি বাড়ির আলমারির ড্রয়ার থেকে উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।সোমবার উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত শিশু ফারজানা ইয়াসমিন, স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত হিসেবে নিহত হয়েছেন একই এলাকার বাসিন্দা সুরাইয়া আক্তার।স্থানীয়দের অভিযোগ, সকালে স্কুল থেকে শিশুটিকে ডেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শিশুটি নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
আরও পড়ুন, সরাইলে জমির দলিল নিয়ে বিরোধ, ১৮ বছরের বসতভিটা ছাড়ার শঙ্কায় পরিবার
বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্ত নারীকে শিশুটিকে স্কুল থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।পরে অভিযুক্তের বাড়ির আলমারির ড্রয়ার থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত নারীকে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন