টানা এক সপ্তাহের ভারি বৃষ্টিতে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে এবং পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ায় দুই উপজেলার অধিকাংশ এলাকা এখনো পানির নিচে।রোববার সকাল থেকে আবারও ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় দুর্গত মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে নিরাপদ স্থানে। কোথাও নৌকাই হয়ে উঠেছে মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম।
আরও পড়ুন, আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণ, যুবকের হাতের আঙুল উড়ে গুরুতর আহত
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্লুইসগেট ও কালভার্টে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে মাছ ধরার কারণে পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এতে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, পর্যাপ্ত ত্রাণ ও শুকনো খাবার না পাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র এবং মাছের ঘের পানিতে ভেসে গেছে।তবে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পানিবন্দি পরিবারগুলোর মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ চলছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোতে জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
টানা এক সপ্তাহের ভারি বৃষ্টিতে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে এবং পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ায় দুই উপজেলার অধিকাংশ এলাকা এখনো পানির নিচে।রোববার সকাল থেকে আবারও ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় দুর্গত মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে নিরাপদ স্থানে। কোথাও নৌকাই হয়ে উঠেছে মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম।
আরও পড়ুন, আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণ, যুবকের হাতের আঙুল উড়ে গুরুতর আহত
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্লুইসগেট ও কালভার্টে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে মাছ ধরার কারণে পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এতে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, পর্যাপ্ত ত্রাণ ও শুকনো খাবার না পাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র এবং মাছের ঘের পানিতে ভেসে গেছে।তবে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পানিবন্দি পরিবারগুলোর মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ চলছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোতে জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন