বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচকে ঘিরে বিশেষ সংস্করণের অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল (TRIONDA FINAL)’ নামের এই বল ব্যবহার করা হবে দুটি সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালে।এটি গত বছরের ‘ট্রিওন্ডা’ বলের আধুনিক সংস্করণ। প্রযুক্তিগত পারফরম্যান্স অপরিবর্তিত থাকলেও নকশায় আনা হয়েছে নতুন মাত্রা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম শেষ চার ম্যাচের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ডিজাইনের অফিসিয়াল বল তৈরি করেছে অ্যাডিডাস।বলটির কালো রঙের ভিত্তির ওপর সোনালি অলংকরণে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী অনুপ্রেরণা তুলে ধরা হয়েছে। ফলে এটি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের মর্যাদা ও গৌরবকে প্রতিফলিত করছে।
আরও পড়ুন. ব্রাজিল আউট, শেষ আটের লড়াইয়ে আজ আর্জেন্টিনার কঠিন পরীক্ষা
‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এ ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহরের পরিচয়ও তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি ও নিউ জার্সি—যেখানে অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনাল। পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও নকশায় যুক্ত করা হয়েছে।নতুন বল উন্মোচনের সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, পুরো টুর্নামেন্টে ‘ট্রিওন্ডা’ অসংখ্য স্মরণীয় গোল ও মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছে। শেষ চার ম্যাচেও এই বল ফুটবল ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।নকশার পাশাপাশি প্রযুক্তিতেও রয়েছে আধুনিক সংযোজন। ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তির মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বলের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে রেফারিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও নির্ভুল হবে এবং ম্যাচ বিশ্লেষণেও নতুন মাত্রা যোগ হবে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচকে ঘিরে বিশেষ সংস্করণের অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল (TRIONDA FINAL)’ নামের এই বল ব্যবহার করা হবে দুটি সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালে।এটি গত বছরের ‘ট্রিওন্ডা’ বলের আধুনিক সংস্করণ। প্রযুক্তিগত পারফরম্যান্স অপরিবর্তিত থাকলেও নকশায় আনা হয়েছে নতুন মাত্রা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম শেষ চার ম্যাচের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ডিজাইনের অফিসিয়াল বল তৈরি করেছে অ্যাডিডাস।বলটির কালো রঙের ভিত্তির ওপর সোনালি অলংকরণে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী অনুপ্রেরণা তুলে ধরা হয়েছে। ফলে এটি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের মর্যাদা ও গৌরবকে প্রতিফলিত করছে।
আরও পড়ুন. ব্রাজিল আউট, শেষ আটের লড়াইয়ে আজ আর্জেন্টিনার কঠিন পরীক্ষা
‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এ ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহরের পরিচয়ও তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি ও নিউ জার্সি—যেখানে অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনাল। পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও নকশায় যুক্ত করা হয়েছে।নতুন বল উন্মোচনের সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, পুরো টুর্নামেন্টে ‘ট্রিওন্ডা’ অসংখ্য স্মরণীয় গোল ও মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছে। শেষ চার ম্যাচেও এই বল ফুটবল ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।নকশার পাশাপাশি প্রযুক্তিতেও রয়েছে আধুনিক সংযোজন। ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তির মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বলের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে রেফারিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও নির্ভুল হবে এবং ম্যাচ বিশ্লেষণেও নতুন মাত্রা যোগ হবে।

আপনার মতামত লিখুন