দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই ঘোষণা

গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই ঘোষণা
গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই ঘোষণা

রাজধানীর গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সরকারি বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে বাসভবনটি এবং আশপাশের এলাকা এখন থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।সরকারি সূত্র জানায়, কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ১৫ জুন এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরে গত শুক্রবার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকেই সরকারি দায়িত্ব পালন করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত থাকলেও তিনি স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করছেন না।নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাসভবনের বহিঃনিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য পৃথক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। 

আরও  পড়ুন, ডিএমপিতে রদবদল, ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনসে দায়িত্ব পেলেন ওসমান গনি

পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ডস রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের সঙ্গে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন।সরকারের নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার সীমানা প্রাচীর কমপক্ষে ১২ ফুট উঁচু হতে হবে এবং তার ওপর অতিরিক্ত তিন ফুট উচ্চতার ‘ওয়াই’ আকৃতির কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করতে হবে।এ ছাড়া আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি বা সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেপিআই স্থাপনার ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন উঁচু ভবন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে। পাশাপাশি ২৫ মিটারের মধ্যে নতুন স্থাপনা নির্মাণেও বিধিনিষেধ থাকবে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী, তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই গুলশানের এই বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

বিষয় : বাসভবন প্রধানমন্ত্রী বিশেষ শ্রেণি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজধানীর গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সরকারি বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে বাসভবনটি এবং আশপাশের এলাকা এখন থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।সরকারি সূত্র জানায়, কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ১৫ জুন এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরে গত শুক্রবার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকেই সরকারি দায়িত্ব পালন করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত থাকলেও তিনি স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করছেন না।নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাসভবনের বহিঃনিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য পৃথক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। 

আরও  পড়ুন, ডিএমপিতে রদবদল, ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনসে দায়িত্ব পেলেন ওসমান গনি

পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ডস রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের সঙ্গে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন।সরকারের নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার সীমানা প্রাচীর কমপক্ষে ১২ ফুট উঁচু হতে হবে এবং তার ওপর অতিরিক্ত তিন ফুট উচ্চতার ‘ওয়াই’ আকৃতির কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করতে হবে।এ ছাড়া আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি বা সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেপিআই স্থাপনার ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন উঁচু ভবন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে। পাশাপাশি ২৫ মিটারের মধ্যে নতুন স্থাপনা নির্মাণেও বিধিনিষেধ থাকবে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী, তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই গুলশানের এই বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত